ভিয়েতনামে জাতীয় একত্রীকরণের জন্য দক্ষিণ মুক্ত দিবস
ভিয়েতনামে ৩০ এপ্রিল জাতীয় একত্রীকরণের জন্য দক্ষিণ মুক্ত দিবস পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের ঘটনাবলির সঙ্গে যুক্ত এই সরকারি ছুটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তি ও দেশের জাতীয় একত্রীকরণ স্মরণ করে এবং জাতীয় শ্রম আইনে কর্মীদের বেতনসহ এক দিনের ছুটি দেয়।[1][2]
ভিয়েতনামের আইনে সরকারি ছুটি
ভিয়েতনামের শ্রম আইন ৩০ এপ্রিলকে বিজয় দিবস হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এ দিন এক দিনের সরকারি ছুটি, যাতে কর্মীরা পূর্ণ বেতনসহ ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এর পরের দিন, ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, পৃথক সরকারি ছুটি।[1]
কোনো সরকারি ছুটি কর্মীর সাপ্তাহিক বিশ্রামের দিনে পড়লে শ্রম আইন অনুযায়ী পরবর্তী কর্মদিবসে ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি দেওয়া হয়। এর প্রভাব কর্মীর সাপ্তাহিক কর্মসূচির ওপর নির্ভর করে; সবার জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট বিকল্প তারিখ নেই।[1]
৩০ এপ্রিল স্মরণীয় ঘটনাবলি
১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল মুক্তিবাহিনী সাইগনের রাষ্ট্রপতি প্রাসাদে প্রবেশ করে এবং সাইগন সরকার আত্মসমর্পণ করে। সরকারি বিবরণে এই তারিখকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তি ও জাতীয় একত্রীকরণের দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।[2]
দিনটির ভিয়েতনামী নাম দক্ষিণের মুক্তি ও জাতীয় একত্রীকরণের কথা তুলে ধরে। ১৯৭৫ সালের বার্ষিকী নিয়ে একটি সরকারি বিবরণে ঘটনাটিকে বড় ধরনের মোড় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যার পর দেশ জাতীয় পুনর্গঠনের পর্যায়ে প্রবেশ করে।[2]
স্মরণানুষ্ঠান ও জনজীবন
২০২০ সালে ৪৫তম বার্ষিকীতে হো চি মিন সিটিতে পুনরেকত্রীকরণ হলে একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল; নগর সরকারের দপ্তরগুলোতেও অতিরিক্ত দর্শনস্থলের ব্যবস্থা ছিল।[3]
সরকারি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তরুণ ভিয়েতনামিরা ৩০ এপ্রিলকে গর্ব, স্মরণ এবং নিহতদের প্রতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করেন।[4]
ছুটির সময় পরিকল্পনা
শ্রম আইন কর্মীদের ছুটি নিশ্চিত করে, তবে দোকান, ব্যাংক, রেস্তোরাঁ বা পরিবহন পরিষেবার জন্য দেশজুড়ে একক খোলার সময়সূচি নির্ধারণ করে না। ছুটির সময় খোলার সময় ও পরিষেবার ব্যবস্থা জানতে যাত্রীরা সংশ্লিষ্ট পরিষেবা প্রদানকারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।[1]
৩০ এপ্রিলের পরের দিন ১ মে পৃথক সরকারি ছুটি। ক্যালেন্ডার এবং কারও সাপ্তাহিক বিশ্রামের দিনের ওপর নির্ভর করে বিরতি দুই বিধিবদ্ধ দিনের চেয়েও দীর্ঘ হতে পারে; সঠিক ব্যবস্থা ভিন্ন হয়।[1]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ছুটিটি কবে পালিত হয়?
প্রতি বছর ৩০ এপ্রিল ছুটিটি পালিত হয়।[1]
কর্মীরা কি এ দিন ছুটি পান?
কর্মীরা পূর্ণ বেতনসহ এক দিনের ছুটি পাওয়ার অধিকারী। ৩০ এপ্রিল তাঁদের সাপ্তাহিক বিশ্রামের দিনে পড়লে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কর্মদিবসে ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি দেওয়া হয়।[1]
দোকান, ব্যাংক ও পরিবহন কি বন্ধ থাকে?
শ্রম আইন সব ব্যবসা বা পরিবহন পরিষেবার জন্য একক খোলার সময়সূচি নির্ধারণ করে না। আপনি যে নির্দিষ্ট পরিষেবা ব্যবহার করতে চান, তার সময়সূচি ও ব্যবস্থা জেনে নিন।[1]
ছুটিটি কী স্মরণ করে?
এটি ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিলের ঘটনাবলি স্মরণ করে, যা ভিয়েতনামে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তি ও জাতীয় একত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত।[2]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
ভিয়েতনাম-এ জাতীয় একত্রীকরণের জন্য দক্ষিণ মুক্ত দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Nghị quyết số 45/2019/QH14 bộ luật Lao động.- Công báo điện tử Chính phủ (Government Gazette)
- Reunification Day- Viet Nam Government News
- Bước ngoặt vĩ đại đưa nước ta vào kỷ nguyên mới- Báo Điện tử Chính phủ, Ho Chi Minh City section
- Hào khí lịch sử 30/4 thắp sáng lý tưởng sống cho thế hệ trẻ Việt Nam hôm nay- Cục Thông tin và Truyền thông Chính phủ (Government Information and Communications Department)