পেরুতে সকল সাধু দিবস
পেরুতে ১ নভেম্বর সকল সাধু দিবস জাতীয় ছুটি হিসেবে পালিত হয়। আন্দিজ অঞ্চলে এই দিনটি স্মরণের দুই দিনের পর্বের মধ্যে পড়ে; অঞ্চলভেদে প্রথার ভিন্নতা রয়েছে, যার মধ্যে খাবার নিবেদন এবং বিশেষ ধরনের তান্তা ওয়াওয়া রুটি রয়েছে।[1][2][3]
নির্দিষ্ট তারিখের জাতীয় ছুটি
পেরুর শ্রম আইন বেসরকারি খাতের কর্মীদের বেতনসহ বিশ্রামের অধিকার দেয়—এমন জাতীয় ছুটির তালিকায় ১ নভেম্বর সকল সাধু দিবস অন্তর্ভুক্ত করেছে। আইন অনুযায়ী, এসব জাতীয় ছুটি নির্ধারিত তারিখেই পালিত হয়; সোমবারে সরিয়ে নেওয়ার নিয়মটি অন্যান্য স্থানীয় বা পেশাভিত্তিক ছুটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই ১ নভেম্বর সপ্তাহান্তে পড়লেও জাতীয় ছুটিটি সোমবারে সরানো হয় না।[1][3]
বেসরকারি খাতের কোনো কর্মী ছুটির দিনে কাজ করলে এবং এর বদলে বিশ্রামের দিন না পেলে, আইন অনুযায়ী কাজের পারিশ্রমিকের সঙ্গে ১০০% অতিরিক্ত ভাতা দিতে হয়। সরকারও দিনটিকে জাতীয় ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।[1][3]
দুই দিন ধরে স্মরণ
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রকাশিত তান্তা ওয়াওয়া-বিষয়ক এক গবেষণায় ১ নভেম্বর, সকল সাধু দিবসকে জীবিতদের উদ্যাপনের দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর পরের ২ নভেম্বর মৃতদের দিবস, যখন মনোযোগ নিবদ্ধ হয় প্রয়াতদের স্মরণে। গবেষণাটি এই দিন দুটিকে আন্দীয় সংস্কৃতিতে জীবন ও মৃত্যুর পরিপূরক হিসেবে তুলে ধরে।[2]
গবেষণাটি মৃত আত্মীয়দের উদ্দেশে নিবেদনের সঙ্গে রুটির এই প্রথার যোগসূত্র দেখায়। এতে বলা হয়েছে, পরিবারগুলো তান্তা ওয়াওয়া এবং কোনো ব্যক্তি জীবদ্দশায় পছন্দ করতেন এমন খাবার কবরস্থানে নিয়ে যায়; সেখানে স্মরণার্থে সেগুলো ভাগ করে খাওয়া হতে পারে।[2]
আঞ্চলিক রুটি ও প্রথা
তান্তা ওয়াওয়া নানা আকৃতিতে তৈরি উৎসবের রুটি। গবেষণায় শিশু, ঘোড়া, তারা, লামা ও কবুতরের মতো অবয়বের কথা বলা হয়েছে; রেসিপি ও পরিবেশনে অঞ্চলভেদে পার্থক্য রয়েছে। আনকাশে গাঢ় ময়দা দিয়ে সাজানো নোনতা ময়দার রুটির উল্লেখ আছে; দক্ষিণ পেরুর কিছু এলাকায় মৃতদের জন্য প্রার্থনাকারী দর্শনার্থীদের ওয়াওয়া দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।[2]
এই উদাহরণগুলো সারা দেশের একক কোনো আচার নয়। গবেষণাটি বিভিন্ন অঞ্চলের পার্থক্যের ওপর জোর দেয় এবং এর বিবরণ আন্দীয় জনগোষ্ঠী ও রুটিটির সাংস্কৃতিক তাৎপর্যকেন্দ্রিক।[2]
ছুটির দিন ঘিরে পরিকল্পনা
এই ছুটি কর্মীদের বিশ্রামের অধিকার নিশ্চিত করে, তবে আইনগত সূত্রে ব্যাংক, দোকান, কবরস্থান বা পরিবহনের জন্য দেশব্যাপী কোনো সময়সূচি দেওয়া নেই। কোনো নির্দিষ্ট পরিষেবা দরকার হলে যাওয়ার আগে সরাসরি তার সময়সূচি জেনে নিন। কবরস্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, কারণ স্থানীয় রীতি ও ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে।[1][2][3]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পেরুতে সকল সাধু দিবস কবে?
এটি কি বেতনসহ ছুটির দিন?
আইনে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জাতীয় ছুটিতে বেতনসহ বিশ্রামের অধিকার দেওয়া হয়েছে। তারা বিকল্প বিশ্রামের দিন ছাড়া কাজ করলে, কাজের পারিশ্রমিকের সঙ্গে ১০০% অতিরিক্ত ভাতার বিধান রয়েছে।[1]
কী কী প্রচলিত প্রথা রয়েছে?
প্রথা অঞ্চলভেদে ভিন্ন। মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রকাশিত এক গবেষণায় মৃত আত্মীয়দের স্মরণে কবরস্থানে তান্তা ওয়াওয়া ও তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত খাবার নিবেদনের কথা বলা হয়েছে; রুটির আকৃতি ও রেসিপিতেও আঞ্চলিক ভিন্নতা রয়েছে।[2]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
পেরু-এ সকল সাধু দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- D.Leg. que consolida normas sobre descansos remunerados de los trabajadores de la actividad privada- Diario Oficial El Peruano
- El camino de la tanta wawa- Damacino Uldarico Ancco Condo and Olga Irene Gonzáles Gutiérrez; hosted by the Ministry of Culture
- Feriados 2026 - Día de Todos los Santos- Plataforma del Estado Peruano