পেরুতে স্বাধীনতা দিবস
পেরুতে ২৮ জুলাই স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়; ১৮২১ সালে লিমায় হোসে দে সান মার্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্মরণ করে দিনটি। জাতীয় ফিয়েস্তাস পাতরিয়াস পর্বে ২৯ জুলাইও অন্তর্ভুক্ত, যেদিন পেরুর সশস্ত্র বাহিনী ও জাতীয় পুলিশকে সম্মান জানানো হয়।[1][2]
ছুটি ও এর আইনি মর্যাদা
পেরুর আইনসভা ডিক্রি নং ৭১৩-তে ২৮ ও ২৯ জুলাই ফিয়েস্তাস পাতরিয়াসকে জাতীয় ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বেসরকারি শ্রমব্যবস্থার আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য এ দিনগুলো বেতনসহ ছুটি। আইন বলে, এসব ছুটি নিজ নিজ তারিখে পালিত হয়; পরের সোমবারে সরানোর নিয়মটি অন্যান্য অ-কর্মদিবসের অজাতীয় বা পেশাভিত্তিক ছুটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।[1]
বেসরকারি খাতের কোনো কর্মী দুই ছুটির দিনে কাজ করলে এবং বিকল্প বিশ্রাম না পেলে, ছুটির স্বাভাবিক পারিশ্রমিকের পাশাপাশি কাজের মজুরি ও ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার বিধান রয়েছে। এগুলো ক্ষতিপূরণযোগ্য অ-কর্মদিবস নয়, জাতীয় ছুটি; তাই পরে কাজের ঘণ্টা পুষিয়ে নেওয়ার কথা আইনে নেই।[1][3]
দিন দুটির স্মরণীয় ঘটনা
স্বাধীনতার দলিলে ১৮২১ সালের ১৫ জুলাই লিমায় স্বাক্ষর করা হয় এবং ঘোষণার দিন ধার্য হয় ২৮ জুলাই। পেরুর কংগ্রেসের ঐতিহাসিক বিবরণে বলা হয়েছে, সান মার্তিন ওই দিন লিমার প্লাজা দে আরমাসে, যা প্লাজা মেয়র নামেও পরিচিত, স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।[2]
স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল দীর্ঘতর মুক্তি-প্রক্রিয়ার এক নির্ণায়ক মুহূর্ত। কংগ্রেসের বিবরণে এর আগে ঘটে যাওয়া বিদ্রোহ এবং সান মার্তিনের নেতৃত্বাধীন স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে; ঘোষণাটিকে পেরু ও দক্ষিণ আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলা হয়েছে।[2]
পেরুতে ফিয়েস্তাস পাতরিয়াস উদ্যাপন
দুই তারিখের নাগরিক তাৎপর্য আলাদা: ২৮ জুলাই স্বাধীনতার ঘোষণা স্মরণ করে, আর ২৯ জুলাই পেরুর সশস্ত্র বাহিনী ও জাতীয় পুলিশের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়। ছুটির এই পর্বের বৈশিষ্ট্যটি বিশেষভাবে পেরুর।[2]
১৮২১ সালের স্বাধীনতা ঘোষণার অনুষ্ঠান লিমার একাধিক স্থানে হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল প্লাজা দে আরমাস, প্লাসুয়েলা দে লা মেরসেদ, লস দেসকালসোসের মঠ এবং বর্তমানে প্লাজা বলিভার নামে পরিচিত স্থান। ঐতিহাসিক বিবরণে অনুষ্ঠানটির নথি রয়েছে; তবে এতে বর্তমান সময়ের দেশজুড়ে অনুষ্ঠান বা প্রথার কোনো সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।[2]
ব্যবহারিক প্রভাব
বেতনসহ ছুটির নিয়মের অর্থ এই নয় যে সব কর্মস্থল বন্ধ থাকে: ছুটির দিনে বিকল্প বিশ্রাম বা প্রযোজ্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের শর্তে কাজ করার বিধান রয়েছে। যাওয়ার আগে সরকারি দপ্তর ও ব্যাংকের খোলার সময় জেনে নিন; দোকান ও পরিবহন পরিষেবা নিজেদের ছুটির ব্যবস্থা ঠিক করতে পারে, তাই যে পরিষেবা ব্যবহার করবেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি জেনে নিন।[1][3]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পেরুতে স্বাধীনতা দিবস কবে?
২৮ জুলাই কি বেতনসহ ছুটির দিন?
বেসরকারি শ্রমব্যবস্থার আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য এটি বেতনসহ জাতীয় ছুটি। তারা কাজ করলেও বিকল্প বিশ্রাম না পেলে আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দিতে হয়।[1]
২৯ জুলাই পেরু কী স্মরণ করে?
ফিয়েস্তাস পাতরিয়াসের অংশ হিসেবে ২৯ জুলাই পেরুর সশস্ত্র বাহিনী ও জাতীয় পুলিশের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়।[2]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
পেরু-এ স্বাধীনতা দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Decreto Legislativo N° 713, Consolidan la legislación sobre descansos remunerados de los trabajadores sujetos al régimen laboral de la actividad privada- Diario Oficial El Peruano
- PERÚ CELEBRA 195 AÑOS DE INDEPENDENCIA- Congreso de la República del Perú
- ¿Tu empresa abrirá en Fiestas Patrias? Verifica qué pago corresponde por cada día- Diario Oficial El Peruano