পেরুতে শ্রমিক দিবস
পেরুতে ১ মে শ্রমিক দিবস জাতীয় বেতনসহ ছুটি হিসেবে পালিত হয়। দিনটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক স্মরণানুষ্ঠানের সঙ্গে পেরুর নিজস্ব শ্রমিক আন্দোলন ও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবিকে যুক্ত করে।[1][2]
নির্দিষ্ট তারিখের জাতীয় ছুটি
পেরুর ছুটির আইনে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে তালিকাভুক্ত। দিনটির তারিখ নির্দিষ্ট। ছুটিতে বেতনসহ বিশ্রাম মেলে; ওই দিন কাজ করা কর্মীরা বিকল্প বিশ্রাম পেতে পারেন, আর তা না পেলে অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পেতে পারেন।[1]
এই ছুটি দেশজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য বলে বর্ণিত হয়েছে। আইনে কর্মীদের বিশ্রাম ও পারিশ্রমিকের বিধান থাকলেও, কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংক, দোকান, রেস্তোরাঁ বা পরিবহন পরিষেবা চালু থাকবে কি না তা জানানো নেই। যে পরিষেবা ব্যবহার করবেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি জেনে নিন।[1]
শিকাগো থেকে পেরু
১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক স্মরণানুষ্ঠানের অংশ; এর যোগসূত্র ১৮৮৬ সালে শিকাগোতে আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবির আন্দোলনের সঙ্গে। পেরুতে দিনটি উন্নত কর্মপরিবেশ ও কম কর্মঘণ্টার স্থানীয় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়।[2]
পেরুর আট ঘণ্টার কর্মদিবসের আন্দোলন
প্রাথমিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল ১৯০৫ সালের ১ মে, যখন বেকারি শ্রমিকদের ফেডারেশন পেরুতে শিকাগোর ঘটনাগুলো স্মরণ করে। এক অনুষ্ঠানে ম্যানুয়েল গনসালেস প্রাদা ও ম্যানুয়েল কারাচ্চিওলো লেভানো শ্রমিক অধিকার এবং আট ঘণ্টার কর্মদিবস নিয়ে বক্তব্য দেন। তখন কায়াওয়ের শ্রমিকেরা যে সুবিধা আদায় করেছিলেন, তা কেবল কনস্টিটিউশনাল প্রদেশ অব কায়াওতে সীমিত ছিল।[2]
শ্রমিক আন্দোলন চলতে থাকে এবং ইউনিয়নগুলো সারা দেশে আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবিতে চাপ দেয়। ১৯১৯ সালের জানুয়ারিতে সাধারণ ধর্মঘট ও আলোচনার পর সরকার পুরো প্রজাতন্ত্রে আট ঘণ্টার কর্মদিবস নির্ধারণ করে ডিক্রি জারি করে। তাই এই ছুটি একটি আন্তর্জাতিক দাবি এবং পেরুর স্বতন্ত্র শ্রমিক সংগ্রাম—দুটিই স্মরণ করে।[2]
পালন ও ব্যবহারিক পরিকল্পনা
১ মে শ্রমিকদের স্মরণ এবং আট ঘণ্টার কর্মদিবসের সংগ্রামের দিন; এতে শিকাগোর শহিদদের কথাও রয়েছে। পেরুতে ১৯০৫ সালে একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল।[2]
কর্মীদের জন্য ব্যবহারিক বিষয়টি হলো, ১ মে বেতনসহ ছুটি। কাজের প্রয়োজন হলে নিয়োগকর্তা বিকল্প বিশ্রামের দিন দিতে পারেন; তা না দিলে উদ্ধৃত নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মী ছুটির পারিশ্রমিক, কাজের মজুরি এবং ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা পাওয়ার অধিকারী। ব্যক্তিগত পরিস্থিতিতে বেতন-হিসাব প্রভাবিত হতে পারে বলে ব্যবস্থা সম্পর্কে নিয়োগকর্তার সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে নিন।[1]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পেরুতে শ্রমিক দিবস কবে?
প্রতি বছর ১ মে এটি পালিত হয়।[1]
শ্রমিক দিবস কি বেতনসহ ছুটি?
হ্যাঁ। সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য এটি বেতনসহ জাতীয় ছুটি। কোনো কর্মী কাজ করলে বিকল্প বিশ্রাম বা অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের নিয়ম প্রযোজ্য।[1]
১ মে আমাকে কাজ করতে হলে কী হবে?
উদ্ধৃত নির্দেশনা অনুযায়ী, কাজ করে বিকল্প বিশ্রাম না পেলে কর্মী ছুটির পারিশ্রমিক, কাজের মজুরি এবং ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা পাওয়ার অধিকারী। আপনার ক্ষেত্রে কীভাবে এই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে, নিয়োগকর্তাকে জিজ্ঞাসা করুন।[1]
দোকান, ব্যাংক ও পরিবহন কি খোলা থাকে?
ব্যবসা ও পরিবহন পরিচালনাকারীভেদে খোলার সময় ভিন্ন হয়, তাই পরিকল্পনার আগে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনে নিন।
সূত্র ও তথ্যসূত্র
পেরু-এ শ্রমিক দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Día del Trabajo 2026: ¿cuál es la remuneración por trabajar el 1 de mayo?- Diario Oficial El Peruano
- Camino de las 8 horas- Diario Oficial El Peruano