সিঙ্গাপুর-এ সরকারি ছুটি

সিঙ্গাপুর-এ বড়দিন

সিঙ্গাপুর-এ বড়দিন একটি সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত। আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে এবং বিকল্প ছুটির দিন প্রযোজ্য কি না তা দেখতে নিচের তারিখগুলো ব্যবহার করুন।

পরবর্তীবার

শুক্রবার

Google Calendar

বড়দিন-এর তারিখ

5
তারিখবারবিকল্প দিন
শুক্রবারনা
শনিবারনা
সোমবারনা
মঙ্গলবারনা
বুধবারনা

সিঙ্গাপুরে বড়দিন

বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর পড়ে এবং সিঙ্গাপুরের ঘোষিত ১১টি সরকারি ছুটির একটি। খ্রিষ্টানরা যিশুর জন্ম উদ্‌যাপন করেন; পাশাপাশি ঋতুভিত্তিক আলোকসজ্জা, পারিবারিক জমায়েত ও উৎসবের খাবার বৃহত্তর জনপরিসরের উদ্‌যাপনের অংশ।[1][2]

কর্মসংস্থান বিধিসহ সরকারি ছুটি

সিঙ্গাপুর ঘোষিত ১১টি সরকারি ছুটির মধ্যে বড়দিনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। কর্মসংস্থান আইনের আওতাভুক্ত কর্মীরা প্রতিবছর ১১ দিনের বেতনসহ সরকারি ছুটি পান, যার মধ্যে বড়দিনও রয়েছে; আইনের আওতার বাইরে থাকা কর্মীদের ক্ষেত্রে তাদের চাকরির চুক্তি প্রযোজ্য।[1]

ছুটি পাওয়ার দিনটি আংশিকভাবে কর্মীর কাজের সময়সূচির ওপর নির্ভর করে। বড়দিন বিশ্রামের দিনে পড়লে পরের কর্মদিবসটি বেতনসহ সরকারি ছুটি হয়। কর্মদিবস নয় এমন দিনে পড়লে যোগ্য কর্মী আরেক দিন ছুটি অথবা এক দিনের অতিরিক্ত বেতন পাওয়ার অধিকারী হন। ছুটির দিনে কাজ করলে সাধারণত অতিরিক্ত এক দিনের বেতন পাওনা হয়, তবে নিয়োগকর্তা ও কর্মী সম্মত হলে তার বদলে অন্য এক দিন ছুটি দেওয়া যায়।[1]

খ্রিষ্টীয় তাৎপর্য ও স্থানীয় ইতিহাস

খ্রিষ্টানদের কাছে বড়দিন যিশুর জন্মস্মরণে পালিত হয়। সিঙ্গাপুরে এই ছুটির ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি ঋতুভিত্তিক জনউৎসবের উপস্থিতিও রয়েছে, যা বিভিন্ন পটভূমির মানুষ উপভোগ করতে পারেন।[2]

অর্চার্ড রোডের বড়দিনের আলোকসজ্জা এ ঋতুর একটি স্থানীয় বৈশিষ্ট্য। জাতীয় ঐতিহ্য পর্ষদের নথি অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে হোটেল ও ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলো উৎসবের সাজসজ্জায় একসঙ্গে কাজ করলে সেখানে প্রথম সমন্বিত আলোকসজ্জার আয়োজন হয়। ঐতিহ্যবিষয়ক পথনির্দেশিকায় এই আলোকসজ্জাকে ১৯৮০-এর দশক থেকে অর্চার্ড রোডের কেনাকাটা ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিকাশের অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।[3]

জমায়েত, খাবার ও উৎসবের সাজসজ্জা

সিঙ্গাপুরের পর্যটন বোর্ড জানায়, পারিবারিক জমায়েত ও ভোজ মানুষের উদ্‌যাপনের পরিচিত উপায়। রোস্ট টার্কি একটি পরিচিত উৎসবের খাবার; কখনও আদা ও মরিচের মতো এশীয় মসলায় এতে স্থানীয় স্বাদ যোগ করা হয়। এগুলো ঋতুভিত্তিক রীতির উদাহরণ, প্রত্যেক পরিবারের পালন করা রীতি নয়।[2]

বড়দিনের সময় অর্চার্ড রোডের আলো ও সাজসজ্জা জনসাধারণের জন্য একটি আকর্ষণীয় আয়োজন। গির্জার প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত পারিবারিক জমায়েতের বাইরেও এসব প্রদর্শনী উৎসবের আমেজ উপভোগের সুযোগ দেয়।[2][3]

ছুটির পরিকল্পনা

সরকারি ছুটি কর্মসংস্থানের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে; খোলার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হয়। যাত্রার আগে দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট স্থান বা সেবার সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।[1]

সিঙ্গাপুরে বড়দিন: প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

সিঙ্গাপুরে বড়দিন কি সরকারি ছুটি?

হ্যাঁ। এটি সিঙ্গাপুরের ঘোষিত ১১টি সরকারি ছুটির একটি। কর্মসংস্থান আইনের আওতাভুক্ত কর্মীরা বেতনসহ সরকারি ছুটি পান; অন্য কর্মীদের ব্যবস্থা তাদের চাকরির চুক্তির ওপর নির্ভর করে।[1]

বড়দিন কবে পালিত হয়?

বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর। ওই দিনটি কর্মীর বিশ্রামের দিন হলে পরের কর্মদিবসটি বেতনসহ সরকারি ছুটি হয়; কর্মদিবস নয় এমন দিন হলে কর্মসংস্থান আইনের অধীনে আরেক দিন ছুটি বা অতিরিক্ত বেতন প্রযোজ্য হতে পারে।[1]

বড়দিন শনিবার পড়লে কি সব কর্মী পরের সোমবার ছুটি পান?

না। কর্মসংস্থান আইনের আওতাভুক্ত কর্মীর ছুটি কর্মদিবস নয় এমন দিনে পড়লে তিনি আরেক দিন ছুটি অথবা এক দিনের অতিরিক্ত বেতন পাওয়ার অধিকারী হন। ছুটি বিশ্রামের দিনে পড়লে বেতনসহ ছুটি পরের কর্মদিবসে স্থানান্তরিত হয়।[1]

বড়দিনে দোকান ও দর্শনীয় স্থান খোলা থাকে?

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানভেদে খোলার সময় আলাদা। সরকারি ছুটির নিয়ম কর্মীদের ছুটি ও বেতন নিয়ে, সবার জন্য একক খোলার সময়সূচি নিয়ে নয়; তাই যে স্থানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, সেখানে সরাসরি খোঁজ নিন।[1]

সূত্র ও তথ্যসূত্র

সিঙ্গাপুর-এ বড়দিন-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:

  1. Public holidays: entitlement and pay- Ministry of Manpower, Singapore
  2. Celebrate Christmas in Singapore 2026- Singapore Tourism Board
  3. Everything Is Illuminated- National Heritage Board, Singapore
সিঙ্গাপুর-এর সব সরকারি ছুটি দেখুন