তুরস্ক-এ সরকারি ছুটি

তুরস্ক-এ আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস

তুরস্ক-এ আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস একটি সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত। আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে এবং বিকল্প ছুটির দিন প্রযোজ্য কি না তা দেখতে নিচের তারিখগুলো ব্যবহার করুন।

পরবর্তীবার

বুধবার

Google Calendar

আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস-এর তারিখ

5
তারিখবারবিকল্প দিন
মঙ্গলবারনা
বুধবারনা
শুক্রবারনা
শনিবারনা
রবিবারনা

তুরস্কে আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস

তুরস্কে প্রতি বছর ১৯ মে আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস পালিত হয়। ১৯১৯ সালে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সামসুনে আগমনকে এই দিনটি স্মরণ করে এবং এটি আইননির্ধারিত সাধারণ ছুটি; আইনে আরও বলা হয়েছে, আইনের অধীন কোনো ছুটি শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ হলে পরের শনিবার পূর্ণ ছুটি থাকবে।[1][2]

ইতিহাস ও তাৎপর্য

১৯১৯ সালের ১৯ মে আতাতুর্ক ও তাঁর দল বান্দিরমা বাষ্পজাহাজে সামসুনে পৌঁছান। তুরস্কের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে জাতীয় সংগ্রামের সূচনা এবং তুরস্কের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এক মোড়-ফেরানো মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছে।[2]

সময়ের সঙ্গে এই স্মরণানুষ্ঠান যুব ও ক্রীড়া উদ্‌যাপনে রূপ নেয়। মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক বিবরণে ১৯৩৪ সালে প্রথম দিকের “আতাতুর্ক দিবস” পালনের কথা রয়েছে এবং বলা হয়েছে, ১৯৩৮ সালের ২০ জুনের একটি আইন যুব ও ক্রীড়া দিবস প্রতিষ্ঠা করে; পরে ছুটিটির বর্তমান স্মারক নাম গৃহীত হয়।[2]

কীভাবে দিনটি পালিত হয়

এই ছুটির সরকারি বিষয়বস্তু হলো স্মরণ, তারুণ্য ও ক্রীড়া। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে ক্রীড়া প্রদর্শনী ও উদ্‌যাপনের কথা বলেছে; ছুটির ইতিহাসবিষয়ক বিবরণে স্মরণানুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সামসুন থেকে আঙ্কারার দিকে প্রতীকী পতাকা যাত্রার কথাও রয়েছে।[2]

তারিখটির সঙ্গে সামসুনের সরাসরি যোগ রয়েছে। ২০২৫ সালে তুতুন ইস্কেলেসিতে এক অনুষ্ঠানে আতাতুর্কের প্রতিনিধিত্বকারী তুরস্কের পতাকা তীরে আনা হয়, আর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণেরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।[3] এই অনুষ্ঠান স্থানীয়ভাবে পালনের একটি উদাহরণ; স্থান ও বছরভেদে কর্মসূচি এবং অনুষ্ঠান বদলাতে পারে।

সরকারি ছুটি ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব

২৪২৯ নম্বর আইনে ১৯ মে-কে আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস হিসেবে উল্লেখ করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত ছুটির দিনে সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে; তবে নিজস্ব আইনে যেসব প্রতিষ্ঠানের নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করা আবশ্যক, তাদের জন্য ব্যতিক্রম রয়েছে।[1]

একই আইনে বলা হয়েছে, জাতীয় বা সাধারণ ছুটি শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ হলে পরের শনিবার পূর্ণ ছুটি থাকবে। ১৯ মে সপ্তাহান্তে পড়লে বিকল্প তারিখে ছুটি দেওয়ার বিধান এটি নয়; ওই পরিস্থিতিতে এটি আইননির্ধারিত অতিরিক্ত ছুটি।[1]

আইনে ১৯ মে বেসরকারি কর্মস্থল বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতা নেই; ২৯ অক্টোবরের ক্ষেত্রে বেসরকারি কর্মস্থল বন্ধ রাখা আলাদাভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দোকান ও পরিষেবার সময়সূচি নিজ নিজ কর্তৃপক্ষ ঠিক করতে পারে, তাই যাত্রার আগে সরাসরি খোঁজ নেওয়া উচিত। ছুটির দিনে গণপরিবহনের জন্য আইন কোনো সাধারণ সময়সূচি নির্ধারণ করে না।[1]

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস কবে?

প্রতি বছর ১৯ মে দিনটি পালিত হয়।[1]

এটি কি সরকারি ছুটি, এবং সরকারি দপ্তর কি খোলা থাকে?

হ্যাঁ। আইনে ১৯ মে-কে সাধারণ ছুটি বলা হয়েছে এবং সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে; তবে বিশেষ আইনে নিয়ন্ত্রিত নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে।[1]

দোকান ও ব্যাংক কি বন্ধ থাকে?

আইনে ১৯ মে বেসরকারি কর্মস্থল বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতা নেই। দোকান ও ব্যাংকের সময়সূচি ভিন্ন হতে পারে, তাই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা শাখায় খোঁজ নিন।[1]

১৯ মে সপ্তাহান্তে পড়লে কি বিকল্প কোনো দিন ছুটি হয়?

১৯ মে সপ্তাহান্তে পড়লে সাধারণভাবে বিকল্প ছুটির তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে আইনের অধীন কোনো ছুটি শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ হলে পরের শনিবার পূর্ণ ছুটি থাকে।[1]

সূত্র ও তথ্যসূত্র

তুরস্ক-এ আতাতুর্ক স্মরণ, যুব ও ক্রীড়া দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:

  1. ULUSAL BAYRAM VE GENEL TATİLLER HAKKINDA KANUN- T.C. Diyanet İşleri Başkanlığı
  2. Gençlik Dergisi 19 Mayıs Atatürk’ü Anma, Gençlik ve Spor Bayramı Özel Sayı- T.C. Gençlik ve Spor Bakanlığı
  3. ATATÜRK'Ü TEMSİL EDEN BAYRAK SAMSUN'DA KARAYA ÇIKARILDI- T.C. Gençlik ve Spor Bakanlığı
তুরস্ক-এর সব সরকারি ছুটি দেখুন