মৌরিতানিয়ায় স্বাধীনতা দিবস
মৌরিতানিয়ায় ২৮ নভেম্বর স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়; আইন অনুযায়ী এই তারিখটি দেশের জাতীয় উৎসবের দিন। ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা ঘোষণার স্মরণে দিনটি পালিত হয় এবং আইন অনুসারে এটি বেতনসহ কর্মবিরতির ছুটি।[1][2]
আইনে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় উৎসব
মৌরিতানিয়ার আইন ৯২.০১৮-এ ২৮ নভেম্বরকে মৌরিতানিয়ার ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জাতীয় উৎসবের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আইনটিতে আরও বলা হয়েছে, আইনসিদ্ধ ছুটিতে কাজ হয় না, তবে বেতন দেওয়া হয়। দিনটি সাপ্তাহিক ছুটিতে পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য দিন ছুটি দেওয়ার বিধান নেই।[1]
বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি একই আইনে অন্য দিন বা দিনের অংশকে ছুটি ঘোষণা করতে পারেন। এমন ডিক্রিতে ছুটির সময় পরে পুষিয়ে নিতে হবে, নাকি ব্যতিক্রমীভাবে বেতন দেওয়া হবে, তা উল্লেখ করতে হয়; এই বিধানে স্বাধীনতা দিবসের জন্য নিয়মিত সাপ্তাহিক বিকল্প দিনের ব্যবস্থা নেই।[1]
১৯৬০ সালের স্বাধীনতা
মৌরিতানিয়ার রাষ্ট্রপতির দপ্তরের নথিতে বলা হয়েছে, ১৯৬০ সালের ২৮ নভেম্বর দেশটির স্বাধীনতা কার্যকর হয়। নথিতে মোখতার দাদ্দাহকে স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে; আরও বলা হয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ১৯৬১ সালে দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।[2]
ঔপনিবেশিক শাসনের পর আধুনিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিনটিকে এ তারিখ স্মরণ করায়। মৌরিতানিয়ার সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত এক জাতীয় ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই বার্ষিকীকে স্বাধীনতা ও মর্যাদা পুনরুদ্ধার, প্রতিরোধের ব্যক্তিত্বদের স্মরণ এবং নাগরিকত্ব ও জাতীয় ঐক্য জোরদার করার সঙ্গে যুক্ত করেন।[4]
দেশজুড়ে অনুষ্ঠান
সরকারি প্রতিবেদনগুলোতে জনসমাবেশ ও আনুষ্ঠানিকতা পালনের অংশ হিসেবে উঠে এসেছে। মৌরিতানিয়ার অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের উদ্যাপনের বিবরণে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন এবং সশস্ত্র বাহিনী ও নিরাপত্তা ইউনিটের কুচকাওয়াজের কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে বর্ণিত অঞ্চলগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধান করেন।[3]
রাজধানী নিয়ে আলাদা একটি প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ও নোয়াকশটের বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে সামরিক কুচকাওয়াজের বিবরণ আছে। রাজধানী ও আঞ্চলিক শহরে নাগরিক ও সামরিক অনুষ্ঠান হতে পারে; প্রতিটি সম্প্রদায় নিজস্ব কর্মসূচি নির্ধারণ করে।[3][4]
বাসিন্দা ও ভ্রমণকারীরা কী প্রত্যাশা করবেন
আইনে আইনসিদ্ধ ছুটিকে কর্মবিরতিসহ বেতনযুক্ত বলা হয়েছে, তাই স্বাধীনতা দিবস বিধিবদ্ধ ছুটির দিন। ব্যাংক, দোকান বা পরিবহনের খোলার সময় আইনটিতে দেওয়া নেই; ছুটির দিনের ব্যবস্থা জানতে ভ্রমণকারীদের সংশ্লিষ্ট পরিষেবা ও স্থানীয় ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা উচিত।[1]
এই তারিখে স্কুলের বর্ষপঞ্জি, রাস্তা বন্ধ থাকা বা পরিবহনের সময়সূচিও আইনে নির্দিষ্ট করা হয়নি। সরকারি প্রতিবেদনে কুচকাওয়াজ ও অনুষ্ঠানের বিবরণ আছে, তবে সারা দেশে সড়ক বন্ধ থাকবে বা গণপরিবহন কম সময়সূচিতে চলবে—এমন তথ্য এতে প্রতিষ্ঠিত হয় না।[1][3]
সাধারণ জিজ্ঞাসা
মৌরিতানিয়ায় স্বাধীনতা দিবস কবে?
প্রতিবছর ২৮ নভেম্বর পালিত হয়; মৌরিতানিয়ার আইনসিদ্ধ ছুটির আইনে জাতীয় উৎসবের জন্য এই তারিখ নির্ধারিত।[1]
স্বাধীনতা দিবসে কি ছুটি থাকে?
হ্যাঁ। আইনে বলা হয়েছে, আইনসিদ্ধ ছুটিতে কাজ হয় না, তবে বেতন দেওয়া হয়।[1]
ব্যাংক, দোকান ও গণপরিবহন কি খোলা থাকে?
আইনে বেতনসহ কর্মবিরতির ছুটি প্রতিষ্ঠিত হলেও ব্যাংক, দোকান বা পরিবহনের খোলার সময় নির্দিষ্ট করা হয়নি। ব্যবস্থা জানতে সংশ্লিষ্ট পরিষেবা বা ব্যবসার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।[1]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
মৌরিতানিয়া-এ স্বাধীনতা দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- LOI 92.018 DU 7 DÉCEMBRE 1992 FIXANTLES FÊTES LÉGALES EN MAURITANIE- Ministère de la Fonction Publique et du Travail
- Anciens Présidents- Présidence de la République Islamique de Mauritanie
- Commémoration du 63e anniversaire de la fête l’indépendance nationale au niveau des wilayas de l’intérieur- Agence Mauritanienne d’Information
- Le Président de la République adresse un discours important à la nation à l’occasion du 65e anniversaire de la Fête de l’Indépendance nationale- Agence Mauritanienne d’Information