মৌরিতানিয়ায় কোরবানি ঈদ (ঈদুল আজহা)
মৌরিতানিয়ায় ঈদুল আজহা, যা ঈদ আল-আধা নামেও পরিচিত, আইনসিদ্ধ সরকারি ছুটি। এদিন ঈদের নামাজ পড়া হয় এবং সামর্থ্যবানরা পশু কোরবানি দেন। তারিখ ইসলামি চান্দ্রবর্ষ অনুসরণ করে; জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি জিলহজ মাস শুরুর ঘোষণা দেয়।[1][2][3]
বেতনসহ কর্মবিরতির আইনসিদ্ধ ছুটি
মৌরিতানিয়ার ৯২.০১৮ নম্বর আইনে দেশের আইনসিদ্ধ ছুটির তালিকায় ঈদ আল-আধা রয়েছে। আইনটিতে বলা হয়েছে, আইনসিদ্ধ ছুটিতে কাজ হয় না, তবে বেতন দেওয়া হয়; ফলে আইনের আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য দিনটি বিধিবদ্ধ ছুটি।[1]
ছুটির দিন সাপ্তাহিক ছুটিতে পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য দিন ছুটি দেওয়ার কথা আইনে নেই। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি ডিক্রির মাধ্যমে অন্য দিন বা দিনের অংশকে ছুটি ঘোষণা করতে পারেন; ওই সময়ের কাজ পুষিয়ে নিতে হবে, নাকি বেতন দেওয়া হবে, তা ডিক্রিতে নির্দিষ্ট করতে হয়।[1]
চান্দ্র তারিখ ও হজের সময়
হজের সঙ্গে সম্পর্কিত মাস জিলহজের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালিত হয়। ইসলামি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জিতে তারিখটি প্রতিবছর বদলে যায়। মৌরিতানিয়ার জাতীয় কমিটি নতুন চাঁদ দেখে জিলহজ মাস শুরুর ঘোষণা দেয়; ঘোষণায় ঈদের নামাজের সময়ও জানানো হয়।[2][3]
নামাজ ও কোরবানি
ঈদের সকালে জামাত ও খুতবা হয়। সরকারি প্রতিবেদনে নোয়াকশটের ইবনে আব্বাস মসজিদে বড় জামাতের বিবরণ আছে; আর আইউন থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আঞ্চলিক মসজিদের বাইরে একটি উন্মুক্ত স্থানে নামাজের কথা বলা হয়েছে। এসব বিবরণে দেখা যায়, স্থানভেদে নামাজের স্থান আলাদা হতে পারে।[2][4]
মৌরিতানিয়ায় ঈদ পালনের কেন্দ্রীয় রীতি হলো কোরবানি বা উদ্হিয়া। জাতীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে একটি খুতবায় বলা হয়, সামর্থ্যবানদের জন্য এটি ধর্মীয় বিধান এবং নামাজের পর ঈদের তিন দিন পর্যন্ত পশু জবাই করা যায়। একই খুতবায় সহযোগিতা, সদয় আচরণ ও সহনশীলতার আহ্বান জানানো হয়।[2]
বাজার ও ব্যবহারিক ব্যবস্থা
ঈদের আগে নোয়াকশটের পশুর বাজারে ব্যাপক তৎপরতা থাকে। মৌরিতানিয়ার সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চল থেকে ভেড়া আসার কথা এবং মৌসুমি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত পশু বিক্রি, কসাইয়ের কাজ, পরিবহন ও সরবরাহের বিবরণ রয়েছে। এটি রাজধানীর প্রস্তুতির একটি নথিভুক্ত উদাহরণ; সব বাজার বা পরিষেবা একই সময়সূচি মেনে চলবে—তার নিশ্চয়তা নয়।[5]
আইনে ছুটির দিনে বেতনসহ কর্মবিরতির ব্যবস্থা আছে। স্থানীয় খোলার সময় ও পরিষেবার ব্যবস্থা জেনে নিন; ঈদের নামাজ ও বাজারের ব্যস্ততা স্থানীয় দৈনন্দিন রুটিনে প্রভাব ফেলতে পারে।[1][2][5]
সাধারণ জিজ্ঞাসা
মৌরিতানিয়ায় ঈদুল আজহায় কি ছুটি থাকে?
হ্যাঁ। মৌরিতানিয়ার আইনে ঈদ আল-আধাকে আইনসিদ্ধ ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আইনসিদ্ধ ছুটিতে কাজ হয় না, তবে বেতন দেওয়া হয়।[1]
ঈদুল আজহা কবে হয়?
সূত্র ও তথ্যসূত্র
মৌরিতানিয়া-এ ঈদুল আজহা-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- LOI 92.018 DU 7 DÉCEMBRE 1992 FIXANTLES FÊTES LÉGALES EN MAURITANIE- Ministère de la Fonction Publique et du Travail
- Des masses de fidèles accomplissent la prière de l’Aïd al-Adha à la mosquée Ibn Abass- Agence Mauritanienne d'Information
- La Commission nationale de l’observation des croissants lunaires: Demain lundi est le premier jour du mois de Dhou al-Hijjah- Agence Mauritanienne d'Information
- Le Président de la République accomplit la prière de l’Aïd al-Adha à Aïoun- Agence Mauritanienne d'Information
- Préparatifs de l’Aïd El-Adha : pleine effervescence au marché du bétail et plaintes contre la flambée des prix du mouton- Agence Mauritanienne d'Information