লাইবেরিয়ায় উপবাস ও প্রার্থনা দিবস
লাইবেরিয়ায় এপ্রিলের দ্বিতীয় শুক্রবার জাতীয় ছুটি হিসেবে উপবাস ও প্রার্থনা দিবস পালিত হয়। এ দিন দেশের কল্যাণ ও শান্তির জন্য উপবাস, প্রার্থনা ও ধ্যান করা হয়।[1][2]
দীর্ঘ ইতিহাসের জাতীয় ছুটি
এই ছুটির আইনি সূত্র ১৮৮৩ সালে জাতীয় আইনসভায় পাস হওয়া একটি আইন, যেখানে এপ্রিলের দ্বিতীয় শুক্রবারকে জাতীয় উপবাস ও প্রার্থনা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জাতির নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা।[1]
লাইবেরিয়ার সরকারি ঘোষণায় দিনটিকে দিকনির্দেশনা ও সুরক্ষা এবং জাতীয় জীবনে শান্তি কামনার সময় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এসব ঘোষণায় দেশের সমৃদ্ধি ও জনকল্যাণের প্রত্যাশার সঙ্গেও এই পালনকে যুক্ত করা হয়েছে।[1][2]
লাইবেরিয়াজুড়ে প্রার্থনা ও উপবাস
প্রেসিডেন্টের ঘোষণায় ধর্মীয় নেতাদের—যেমন ধর্মযাজক, পুরোহিত, প্রবীণ, ডিকন, ধর্মপ্রচারক ও ইমাম—এবং সব ধর্মবিশ্বাসের বাসিন্দাদের নিজ নিজ উপাসনালয়ে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ঘোষণায় শহর, নগর, গ্রাম, পল্লি ও বাড়িতে পালনের কথা বলা হয়েছে এবং সকাল ৮টা থেকে উপবাস, প্রার্থনা ও ধ্যানের আহ্বান রয়েছে।[2]
দিনটির ঘোষিত উদ্দেশ্য জাতীয়: দেশের কল্যাণ ও শান্তি এবং জনকল্যাণের প্রচেষ্টার জন্য প্রার্থনা করতে মানুষকে বলা হয়। পালনের অংশ হিসেবে সাধারণ পোশাক পরার আহ্বানও রয়েছে।[1][2]
ছুটির দিনে কী আশা করা যায়
সরকারি ঘোষণায় পালনের সময় সরকারি দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাজার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং নাগরিক ও বিদেশি বাসিন্দাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ রাখতে বলা হয়। তাই কোনো সেবা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগে সরাসরি খোঁজ নেওয়া যুক্তিযুক্ত।[2]
যাওয়ার আগে ব্যাংক ও দোকানগুলোর সঙ্গে খোলার সময় এবং পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিচালনাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বিকল্প কোনো পালনের দিন নির্দিষ্ট করা নেই; বার্ষিক নিয়ম অনুযায়ী উপবাস ও প্রার্থনা দিনটি শুক্রবারে পড়ে।[1][2]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
লাইবেরিয়ায় উপবাস ও প্রার্থনা দিবস কবে?
প্রতি বছর এপ্রিলের দ্বিতীয় শুক্রবার এটি পালিত হয়।[1]
উপবাস ও প্রার্থনা দিবস কি সরকারি ছুটি?
উপবাস ও প্রার্থনা দিবসে মানুষ কী করেন?
ঘোষণায় সব ধর্মবিশ্বাসের বাসিন্দাদের উপাসনালয়ে বা বাড়িতে সমবেত হয়ে উপবাস, প্রার্থনা ও ধ্যানের আহ্বান জানানো হয়েছে।[2]
দপ্তর ও বাজার কি খোলা থাকে?
ঘোষণায় পালনের সময় সরকারি দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাজার বন্ধ রাখার নির্দেশ রয়েছে। ব্যাংক, পরিবহনসেবা ও নির্দিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা সরাসরি জেনে নিন।[2]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
লাইবেরিয়া-এ উপবাস ও প্রার্থনা দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Friday, April 14, Is National Fast & Prayer Day; To Be Observed as A National Holiday- Ministry of Foreign Affairs, Republic of Liberia
- President Boakai Declares Friday National Fast and Prayer Day- Ministry of Information, Cultural Affairs and Tourism, Republic of Liberia