লাইবেরিয়ায় বড়দিন
লাইবেরিয়ায় ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত হয় এবং দিনটি জাতীয় সরকারি ছুটির তালিকায় রয়েছে। আইনে কর্মীদের বেতনসহ ছুটির অধিকার দেওয়া হয়েছে। লাইবেরিয়ার বিবরণে বড়দিনের অংশ হিসেবে গির্জার উপাসনা, আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া এবং শিশুদের পরিবেশনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।[1][2][3]
সরকারি ছুটি ও অবকাশ
ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্যাট্রিয়টিক অবজারভ্যান্সেস ল-এ সরকারি ছুটি হিসেবে নির্ধারিত দিনগুলোতে কর্মীরা বেতনসহ ছুটি পাওয়ার অধিকারী। নিয়োগকর্তা ওই দিন কর্মীকে কাজ করতে বলতে পারেন; আইনে উল্লেখিত পরিস্থিতিতে কর্মী তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। কর্মী কাজ করতে সম্মত হলে স্বাভাবিক হারের দ্বিগুণ পারিশ্রমিক, অথবা আইনের শর্ত অনুযায়ী সম্মতিসাপেক্ষে বেতনসহ ছুটির সময় পাওয়ার অধিকারী হন।[1]
পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনসেশনস কমিশনের একটি প্রশাসনিক নির্দেশিকায় ২৫ ডিসেম্বরকে বড়দিন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিশনের কর্মীদের জাতীয় বা সরকারি ছুটির দিনে কাজ করতে হয় না। একই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো জাতীয় ছুটি রবিবারে পড়লে পরের দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়।[2]
তাৎপর্য ও জনসমক্ষে পালন
বড়দিন যিশু খ্রিস্টের জন্ম উদ্যাপন করে। লাইবেরিয়ার বিচার বিভাগের বরাতে প্রকাশিত এক বার্তায় প্রধান বিচারপতি বড়দিনকে দীর্ঘদিনের লাইবেরীয় ঐতিহ্যের অংশ বলে বর্ণনা করেন এবং শান্তি, আশা, ঐক্য ও ভালোবাসার কথা বলেন। বিচার বিভাগের বিবরণে মনরোভিয়ার টেম্পল অব জাস্টিসে বড়দিনের গাছের আলো জ্বালানোর অনুষ্ঠানের কথাও রয়েছে; সেখানে বিচারক, সরকারি কর্মী ও অন্যান্য লাইবেরীয়দের উপস্থিতিতে ধর্মোপদেশ ও গান পরিবেশিত হয়।[3]
ইউনাইটেড মেথডিস্ট চার্চে প্রকাশিত একটি বিবরণে লাইবেরিয়ায় বড়দিনকে পারিবারিক সমাবেশ, আত্মীয়দের বাড়ি যাওয়া, খাবার তৈরি এবং শিশুদের নতুন পোশাক পরার সময় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সাক্ষাৎকার দেওয়া লাইবেরীয় মেথডিস্ট জানান, তাঁর সম্প্রদায় বড়দিনের সকালে স্তোত্র ও ক্যারল গাইতে গির্জায় যায় এবং বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় বা সকালে শিশুরা বড়দিনের নাটিকা পরিবেশন করে। এগুলো বর্ণিত অভিজ্ঞতা; এতে এমন দাবি করা হচ্ছে না যে প্রত্যেক লাইবেরীয় পরিবার একইভাবে দিনটি পালন করে।[4]
দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব
জেন্ডার, শিশু ও সামাজিক সুরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মী নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় লাইবেরিয়া সরকার ঘোষিত সরকারি ছুটি পালন করে। এতে আরও বলা হয়েছে, বড়দিনের আগের কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা অর্ধদিবস কাজ করেন।[5]
ইউনাইটেড মেথডিস্ট চার্চের বিবরণে আত্মীয়দের সঙ্গে সময় কাটাতে মানুষকে অন্য কাউন্টিতে যেতে দেখা যায়; যাত্রাপথে কাঁচা রাস্তাও থাকতে পারে। ভ্রমণ বা দোকান, ব্যাংক কিংবা দপ্তরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ছুটির দিনের সময়সূচি ও পরিবহন চলাচল সরাসরি জেনে নিন।[4]
লাইবেরিয়ায় বড়দিন: প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
লাইবেরিয়ায় বড়দিন কবে?
২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত হয় এবং দিনটি লাইবেরিয়ার জাতীয় সরকারি ছুটির তালিকায় রয়েছে।[2]
কর্মীরা কি সেদিন ছুটি পাওয়ার অধিকারী?
ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যাক্ট অনুযায়ী কর্মীরা বেতনসহ সরকারি ছুটি পাওয়ার অধিকারী। নিয়োগকর্তা কর্মীকে কাজ করতে বলতে পারেন, আর কোন পরিস্থিতিতে কর্মী তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন, তা আইনে নির্দিষ্ট করা আছে।[1]
বড়দিন রবিবারে পড়লে কী হয়?
পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনসেশনস কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো জাতীয় ছুটি রবিবারে পড়লে পরের দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। ওই সংস্থার নির্দেশিকায় এ নিয়মই উল্লেখ রয়েছে।[2]
বড়দিনে দর্শনার্থীরা কী দেখতে পারেন?
একজন লাইবেরীয় মেথডিস্টের বিবরণে বড়দিনের সকালের গির্জার উপাসনা, ক্যারল, শিশুদের নাটিকা, পারিবারিক সাক্ষাৎ এবং আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে ভ্রমণের কথা রয়েছে। রীতিনীতি ভিন্ন হতে পারে।[4]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
লাইবেরিয়া-এ বড়দিন-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Republic of Liberia Decent Work Act, 2015- Republic of Liberia; document hosted by LIBLAW
- PPCC Administrative Manual & Organogram- Public Procurement and Concessions Commission, Republic of Liberia
- Judiciary Branch of Government Lights Christmas Tree- Judiciary Branch of Government, Republic of Liberia
- Give Love: Serving Liberia's Children- The United Methodist Church
- Personnel Handbook- Ministry of Gender, Children and Social Protection, Republic of Liberia