ইরানে ইমাম খোমেনীর ওফাত
ইরানে ১৪ খোরাদে ইমাম খোমেনীর ওফাত পালিত হয়; দিনটি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের নেতা ও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা রুহুল্লাহ খোমেনীর মৃত্যুবার্ষিকী। এটি সরকারি ছুটি; স্মরণানুষ্ঠানের মধ্যে তেহরানে তাঁর মাজারে প্রতিবছরের সমাবেশও রয়েছে।[1][4][5]
তারিখ ও সরকারি ছুটির মর্যাদা
ইরানের সৌর হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৪ খোরাদে এই ছুটি পড়ে; গ্রেগরীয় তারিখ বছরভেদে বদলায়। ইরানের সরকারি ক্যালেন্ডারে এই মৃত্যুবার্ষিকী ছুটি হিসেবে নথিভুক্ত। ১৯৮০ সালের সরকারি ছুটি-সংক্রান্ত আইনে ১৯৬৩ সালের বিদ্রোহের বার্ষিকী ১৫ খোরাদ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; পাশাপাশি অন্যান্য দিনকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তও অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমবিধিতে শ্রমিকদের সরকারি ছুটির স্বীকৃতি রয়েছে, যদিও উদ্ধৃত আইনে এই মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য বিকল্প ছুটির নিয়ম বলা নেই।[1][2][3]
সরকারি ক্যালেন্ডারে বিকল্প ছুটির দিন নেই। তারিখটি ১৪ খোরাদ, এবং সপ্তাহান্তে পড়লে পালিত কোনো দিন তালিকাভুক্ত করা হয়নি।[1]
কেন এই মৃত্যুবার্ষিকী তাৎপর্যপূর্ণ
খোমেনী সেই বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা ১৯৭৯ সালে মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে ক্ষমতাচ্যুত করে; পরে তিনি ইরানের প্রধান রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ হন। এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকায় নথিভুক্ত আছে, ১৯৮৯ সালের ৩ জুন মধ্যরাতের কিছু আগে তাঁর মৃত্যু হয়। ইরানের সরকারি ক্যালেন্ডারে এই মৃত্যুবার্ষিকীর সঙ্গে ১৯৮৯ সালে আলি খামেনিকে নেতা নির্বাচনের কথাও যুক্ত করা হয়েছে।[1][4]
এই মৃত্যুবার্ষিকীতে এমন এক ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়, যার নেতৃত্ব ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রভাব রেখেছিল। ইরানের ক্যালেন্ডারে এর স্থান এবং আলাদা ১৫ খোরাদ স্মরণানুষ্ঠান—দুটিই খোমেনী ও তাঁর সঙ্গে যুক্ত বিপ্লবী ঘটনাগুলোর সরকারি স্মরণকে প্রতিফলিত করে।[1][2][4]
অনুষ্ঠান ও স্মরণ
স্মরণানুষ্ঠানের মধ্যে তেহরানে খোমেনীর মাজারে অনুষ্ঠান রয়েছে। ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকীর একটি বিবরণে সেখানে ইরানের নেতার ভাষণের কথা বলা হয়েছে; এতে বোঝা যায়, প্রতিবছরের সমাবেশে খোমেনীর উত্তরাধিকার নিয়ে বক্তব্য থাকতে পারে।[5]
ইমাম খোমেনীর প্রয়াণ দিবস জনস্মরণ ও ভাষণের মাধ্যমে পালিত হয়।[5]
দিনটিতে কী আশা করা যায়
তারিখটি সরকারি ছুটি হওয়ায় ইরানের শ্রমবিধির আওতাভুক্ত শ্রমিকদের জন্য আইন স্বীকৃত সরকারি ছুটি কার্যকর হয়। যাওয়ার আগে সরকারি দপ্তর ও ব্যাংকের খোলার সময় জেনে নিন।[1][3]
খোমেনির মাজারে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে প্রবেশ ও পরিবহনের তথ্যের জন্য স্থানীয় হালনাগাদ বিজ্ঞপ্তি দেখুন, কারণ ব্যবস্থা বছরভেদে ভিন্ন হতে পারে।[5]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ইমাম খোমেনীর ওফাত কবে পালিত হয়?
ইরানের সৌর হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৪ খোরাদে এটি পালিত হয়। গ্রেগরীয় তারিখ প্রতিবছর বদলে যায়।[1]
ইরানে কি এটি সরকারি ছুটি?
সপ্তাহান্তে পড়লে কি বিকল্প ছুটি থাকে?
সূত্র ও তথ্যসূত্র
ইরান-এ ইমাম খোমেনীর ওফাত-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- تقویم رسمی کشور برای سال ۱۳۸۷ هجری شمسی- Nezamat legal archive
- لایحه قانونی تعیین تعطیلات رسمی کشور- Islamic Republic of Iran, Revolutionary Council; published in the Nezamat legal archive
- Labour Law (Labour Code)- International Labour Organization, NATLEX (English translation)
- KHOMEINI i. Life- Encyclopaedia Iranica
- تحریف مکتب امام خمینی (ره)، حساسیت سنجی برای سناریوی تغییر و استحاله- Imam Khomeini works archive