গুয়াতেমালায় বড়দিন
গুয়াতেমালায় ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত হয়। শ্রমবিধিতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য দিনটিকে বেতনসহ ছুটি বলা হয়েছে। এ সময়ের উদ্যাপনে খ্রিস্টীয় আচার, পারিবারিক জমায়েত, উৎসবের খাবার ও সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান মিলেমিশে থাকে।[1][2]
২৫ ডিসেম্বর বেতনসহ ছুটি
গুয়াতেমালার শ্রমবিধির ১২৭ ধারায় বেসরকারি খাতের কর্মীদের বেতনসহ ছুটির দিনগুলোর মধ্যে ২৫ ডিসেম্বর রয়েছে। এতে ২৪ ডিসেম্বর দুপুর থেকে এবং ৩১ ডিসেম্বর দুপুর থেকে বেতনসহ অর্ধদিবস ছুটির কথাও বলা হয়েছে। ২৫ ডিসেম্বর সপ্তাহান্তে পড়লে কোনো সাধারণ বিকল্প দিন নির্দিষ্ট করা হয় না।[1]
নির্দিষ্ট বিশেষ বা অবিচ্ছিন্ন কার্যক্রমে আইন ছুটির দিনেও কাজের অনুমতি দেয়, তবে শ্রমবিধিতে নির্ধারিত শর্তে। এ ক্ষেত্রে কাজের ঘণ্টাগুলো ছুটি বা সাপ্তাহিক বিশ্রামের প্রাপ্য বেতনের অতিরিক্ত হিসেবে অতিরিক্ত কাজ গণ্য হয়।[1]
খ্রিস্টীয় তাৎপর্য ও গুয়াতেমালার রীতি
খ্রিস্টীয় ঐতিহ্যে বড়দিনে যিশুর জন্ম স্মরণ করা হয়। গুয়াতেমালায় এ সময় ধর্মীয়, পারিবারিক ও সাংস্কৃতিক নানা রীতির সমাহার দেখা যায়; অনেক ক্ষেত্রে বড়দিনের আগেই উদ্যাপন শুরু হয়।[2]
গুয়াতেমালার বড়দিনের রীতির মধ্যে রয়েছে পোসাদা, রেসাদো এবং বাড়ি, গির্জা ও জনপরিসরে সাজানো নাসিমিয়েন্তো বা যিশুর জন্মদৃশ্য। বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় পরিবারগুলো একসঙ্গে খাবার খায় এবং মধ্যরাতের অপেক্ষা করে। তখন প্রার্থনা, সংগীত ও আতশবাজির মাধ্যমে যিশুর জন্ম উদ্যাপন করা হয়।[2]
খাবার, পরিবার ও বড়দিন
গুয়াতেমালায় বড়দিনের মৌসুমে তামালেস পরিচিত খাবার। জাতীয় সংবাদ সংস্থার বিবরণে রয়েছে ভুট্টার ময়দা ও মাংসের পুর দিয়ে তৈরি লাল ও কালো তামালেস; এগুলো প্রায়ই ফল, মসলা ও পানেলা দিয়ে তৈরি গরম ফলের পানীয়ের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। তাদের উল্লেখ করা অন্যান্য খাবারের মধ্যে রয়েছে টার্কি, মিষ্টি পাউরুটি, বুনুয়েলোস ও ঘরে তৈরি মিষ্টান্ন।[2]
বড়দিনের আগের সন্ধ্যার তুলনায় বড়দিনকে শান্ত দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়। পরিবারগুলো বিশ্রাম নেয়, একসঙ্গে সময় কাটায় এবং আগের রাতের বেঁচে যাওয়া খাবার ভাগ করে খায়। কেউ কেউ প্রার্থনাসভায় যোগ দেন; এ সময়ের সম্প্রদায়ভিত্তিক কার্যক্রমের মধ্যে কনসার্ট, পাস্তোরেলা এবং পারিবারিক জমায়েতের কথাও জানা যায়।[2]
বড়দিনের পরিকল্পনা
শ্রমবিধিতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের বেতনসহ ছুটির অধিকার নির্ধারিত হয়েছে। ভ্রমণকারী ও বাসিন্দারা যে স্থান বা অপারেটরগুলো ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের খোলার সময়ের জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন।[1]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
গুয়াতেমালায় বড়দিন কবে?
২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত হয়। গুয়াতেমালার শ্রমবিধিতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য এই তারিখকে বেতনসহ ছুটির দিন বলা হয়েছে।[1]
বড়দিন কি বেতনসহ ছুটির দিন?
শ্রমবিধিতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য ২৫ ডিসেম্বরকে বেতনসহ ছুটি বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট বিশেষ বা অবিচ্ছিন্ন কার্যক্রমে শর্তসাপেক্ষে কাজ চলতে পারে; কাজের ঘণ্টাগুলো অতিরিক্ত কাজ হিসেবে গণ্য হয়।[1]
গুয়াতেমালায় বড়দিনে কী খাবার প্রচলিত?
মৌসুমি খাবারের মধ্যে রয়েছে লাল ও কালো তামালেস, গরম ফলের পানীয়, টার্কি, মিষ্টি পাউরুটি, বুনুয়েলোস ও ঘরে তৈরি মিষ্টান্ন। পরিবারগুলো বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় রাতের খাবার একসঙ্গে খেতে পারে এবং বড়দিনে বেঁচে যাওয়া খাবার ভাগ করে খায়।[2]
দোকান, ব্যাংক ও পরিবহন পরিষেবা কি খোলা থাকবে?
এখানে উদ্ধৃত শ্রমবিধিতে ছুটির বেতনের নিয়ম আছে, তবে নির্দিষ্ট ব্যবসা বা পরিবহনের খোলার সময় নিশ্চিত করা হয়নি। পরিকল্পনার আগে পরিষেবা প্রদানকারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।[1]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
গুয়াতেমালা-এ বড়দিন-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Código de Trabajo- Organismo Judicial de Guatemala, Centro de Análisis, Documentación e Información Judicial
- Tradiciones de Nochebuena y Navidad en Guatemala- Agencia Guatemalteca de Noticias