গুয়াতেমালায় সেনাবাহিনী দিবস
গুয়াতেমালায় ৩০ জুন সেনাবাহিনী দিবস পালিত হয়। দিনটি ১৮৭১ সালের উদারপন্থী বিপ্লব এবং আধুনিক জাতীয় সেনাবাহিনীর বিকাশের সঙ্গে যুক্ত। দেশের শ্রম আইন আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য দিনটি বেতনসহ সরকারি ছুটিও; কিছু বছরে আলাদা নিয়মে বিশ্রামের দিনটি সরানো হয়।[1][3]
১৮৭১ সালের উদারপন্থী বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত তারিখ
গুয়াতেমালা সরকার ৩০ জুন ১৮৭১-কে উদারপন্থী সংস্কারের সূচনা এবং আধুনিক সেনাবাহিনী হিসেবে সামরিক বাহিনীর পেশাদারীকরণের সঙ্গে যুক্ত করে। সেনাবাহিনী দিবসে ১৮৭১ সালের আন্দোলন এবং এর পর গড়ে ওঠা সামরিক প্রতিষ্ঠানকে স্মরণ করা হয়।[3]
এই পালন বিশেষভাবে গুয়াতেমালার নিজস্ব: এতে জাতীয় সামরিক স্মরণানুষ্ঠানের সঙ্গে দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণের যোগ রয়েছে। সরকারি বিবরণে সেনাবাহিনীকে জাতীয় স্বার্থে কাজ করা ও জনগণকে সহায়তাকারী হিসেবে তুলে ধরা হয়। এ দিনের স্মরণানুষ্ঠানে এর সদস্যদের, বিশেষ করে দায়িত্ব পালনকালে নিহতদের, সম্মান জানানো হয়।[3]
বেতনসহ ছুটি ও দিন সরানোর নিয়ম
গুয়াতেমালার শ্রমবিধির ১২৭ ধারায় বেসরকারি খাতের কর্মীদের বেতনসহ ছুটির দিনগুলোর মধ্যে ৩০ জুন রয়েছে। ১২৮ ধারায় নির্দিষ্ট অবিচ্ছিন্ন বা বিশেষ কার্যক্রমে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে; সে ক্ষেত্রে ছুটির বেতনের পাশাপাশি কাজের সময়কে অতিরিক্ত কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়।[1]
অভ্যন্তরীণ পর্যটন প্রসারের আইন এই ছুটির বিশ্রামের দিন সরায়: ৩০ জুন মঙ্গলবার বা বুধবার হলে আগের সোমবার বিশ্রামের দিন; বৃহস্পতিবার থেকে রবিবারের মধ্যে পড়লে পরের সোমবার বিশ্রামের দিন। দীর্ঘ সাপ্তাহিক ছুটি তৈরির উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এটি ৩০ জুনের ছুটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।[2]
অনুষ্ঠান ও পালন
সরকারি স্মরণানুষ্ঠানে সামরিক স্থাপনায় গুয়াতেমালার পতাকা উত্তোলন, কামানের সালামি, কর্তব্যরত অবস্থায় নিহতদের জন্য নীরবতা পালন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের নজির রয়েছে। এগুলো নথিভুক্ত অনুষ্ঠানের উদাহরণ; প্রতি বছর একই কর্মসূচি হয়—এ নিশ্চয়তা নয়।[3]
প্রাপ্ত সরকারি বিবরণে সামরিক ও নাগরিক অনুষ্ঠানগুলোর কথা আছে। তবে সারা দেশে পারিবারিক জমায়েত, বিশেষ খাবার, প্রতিটি অঞ্চলে শোভাযাত্রা বা রাজধানীর বাইরেও একই কর্মসূচির কোনো প্রথা এতে প্রতিষ্ঠিত হয় না; তাই এসব ধরে নেওয়া উচিত নয়।[3]
দর্শনার্থীদের পরিকল্পনা
আইনে নির্ধারিত ছুটি আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য। সময় নিশ্চিত করতে যাত্রার আগে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা পরিবহন সংস্থার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।
গুয়াতেমালায় সেনাবাহিনী দিবস: প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
গুয়াতেমালায় সেনাবাহিনী দিবস কবে?
৩০ জুন দিনটি পালিত হয়। তারিখটি ১৮৭১ সালের উদারপন্থী বিপ্লব এবং আধুনিক গুয়াতেমালার সেনাবাহিনীর বিকাশের সঙ্গে যুক্ত বার্ষিকী।[3]
কর্মীরা কি ছুটি পান?
শ্রমবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য ৩০ জুন বেতনসহ ছুটির দিন। ১২৮ ধারার শর্তে কিছু অবিচ্ছিন্ন বা বিশেষ কার্যক্রম চালু থাকতে পারে।[1]
ছুটির দিন কি অন্য তারিখে সরানো যায়?
হ্যাঁ। অভ্যন্তরীণ পর্যটন আইনে ৩০ জুন মঙ্গলবার বা বুধবার হলে আগের সোমবার, আর বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার বা রবিবার হলে পরের সোমবারে ছুটি সরানো হয়।[2]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
গুয়াতেমালা-এ সেনাবাহিনী দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Código de Trabajo- Organismo Judicial de Guatemala
- Decreto sobre turismo interno no crea nuevos asuetos, solo los corre a lunes- Diario de Centro América
- Ejército de Guatemala Iza el Pabellón Nacional en conmemoración de los 150 años de la Gesta Revolucionaria de 1,871- Ministerio de la Defensa Nacional, Gobierno de Guatemala