সাঁউ তোমে ও প্রিন্সিপিতে স্বাধীনতা দিবস
সাঁউ তোমে ও প্রিন্সিপিতে ১২ জুলাই স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়; ১৯৭৫ সালে এই তারিখে দেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। শ্রমবিধি অনুযায়ী এটি বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি, এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়লে কীভাবে পালন হবে তার নিয়মও এতে রয়েছে।[1][2]
আইনে স্বীকৃত জাতীয় ছুটি
শ্রমবিধিতে ১২ জুলাইকে সাঁউ তোমে ও প্রিন্সিপির জাতীয় দিবস হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এতে জাতীয় ছুটির জন্য কর্মীদের প্রাপ্য পারিশ্রমিকও নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির সরকারি পর্যটন নির্দেশিকায় ছুটির দিনে কর্মীদের বেতনসহ অবকাশের কথা বলা হয়েছে; আর বন্দর ও বিমানবন্দরের মতো পরিষেবা চালু রাখা প্রয়োজন এমন কিছু ক্ষেত্রে শ্রমবিধিতে কাজের অনুমতি রয়েছে।[1][2]
ছুটিটি শনিবারে পড়লে বিধি অনুযায়ী আগের শুক্রবারে পালন করা হয়। রবিবারে পড়লে পরের সোমবারে পালন করা হয়। এই নিয়ম জুলাইয়ের ছুটির পাশাপাশি বিধিতে উল্লেখিত অন্যান্য বাধ্যতামূলক ছুটির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।[1]
চুক্তি থেকে স্বাধীনতা
সাঁউ তোমে ও প্রিন্সিপি ১২ জুলাই ১৯৭৫ পর্তুগিজ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ক্ষমতা হস্তান্তরের রূপরেখা নির্ধারণকারী চুক্তিটি ১৯৭৪ সালের নভেম্বরে আলজিয়ার্সে পর্তুগিজ সরকার ও সাঁউ তোমে ও প্রিন্সিপি মুক্তি আন্দোলনের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। সরকারি পর্যটন নির্দেশিকায় স্বাধীনতাকে সাঁউ তোমের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।[2]
এই ইতিহাস তারিখটিকে জাতীয় তাৎপর্য দেয়: এটি ক্ষমতা হস্তান্তর ও স্বাধীন রাষ্ট্রের সূচনাকে চিহ্নিত করে। ছুটির আনুষ্ঠানিক নাম—জাতীয় দিবস—দেশের নাগরিক ক্যালেন্ডারে এর স্থান তুলে ধরে; সরকারি পর্যটন উপকরণে সাধারণত একে স্বাধীনতা দিবস বলা হয়।[1][2]
দিনটি যেভাবে পালিত হয়
সাঁউ তোমে শহরের স্বাধীনতা স্কয়ারে প্রতি বছর একটি নথিভুক্ত অনুষ্ঠান হয়। এই স্কয়ারেই স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল; সরকারি পর্যটন সাইটের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতি ১২ জুলাই প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি সেখানে মাতৃভূমির শিখা প্রজ্বলন করেন।[3]
এই বিবরণ রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় অনুষ্ঠানের কথা নিশ্চিত করে, তবে প্রিন্সিপিতেও একই কর্মসূচি হয় বলে প্রতিষ্ঠা করে না কিংবা প্রচলিত খাবার, কুচকাওয়াজ, কনসার্ট বা অন্য কোথাও আয়োজিত অনুষ্ঠানের বর্ণনা দেয় না। দর্শনার্থীদের ধরে নেওয়া উচিত নয় যে রাজধানীর অনুষ্ঠান প্রতিটি সম্প্রদায়ের পালনরীতি তুলে ধরে।[3]
বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য প্রত্যাশিত পরিস্থিতি
কর্মীদের জন্য আইনি মর্যাদার অর্থ হলো ছুটির দিনের বেতন পাওয়ার অধিকার। নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা দরকার হলে কিছু পরিষেবা চালু থাকতে পারে; প্রাসঙ্গিক কার্যক্রমের মধ্যে শ্রমবিধিতে বন্দর ও বিমানবন্দরের নাম রয়েছে। তবে পৃথক দপ্তর, ব্যাংক, দোকান, রেস্তোরাঁ বা পরিবহন পরিষেবার খোলার সময় এতে নির্ধারিত নেই।[1]
ছুটিকে ঘিরে পরিকল্পনার আগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা পরিষেবা প্রদানকারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।[1][2]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
স্বাধীনতা দিবস কবে?
এটি কি বেতনসহ ছুটির দিন?
শ্রমবিধিতে ১২ জুলাইকে বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে এবং জাতীয় ছুটির জন্য কর্মীদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা দরকার এমন কিছু ক্ষেত্রে কাজ চলতে পারে।[1]
সাঁউ তোমে শহরে কী হয়?
সরকারি পর্যটন সাইটে স্বাধীনতা স্কয়ারে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে; সেখানে রাষ্ট্রপতি মাতৃভূমির শিখা প্রজ্বলন করেন।[3]
ব্যাংক ও দোকান কি খোলা থাকে?
ব্যাংক, দোকান বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের খোলার সময় আইন নির্ধারণ করে না। বিশেষ কোনো পরিষেবা দরকার হলে সরাসরি পরিষেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।[1]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
সাঁউ তোমে ও প্রিন্সিপি-এ স্বাধীনতা দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Lei n.º 6/2019 — Aprova o Código do Trabalho- Assembleia Nacional da República Democrática de São Tomé e Príncipe
- Holidays- São Tomé and Príncipe Tourism
- Homepage- São Tomé and Príncipe Tourism