লিবিয়া-এ সরকারি ছুটি

লিবিয়া-এ বিপ্লব দিবস

লিবিয়া-এ বিপ্লব দিবস একটি সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত। আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে এবং বিকল্প ছুটির দিন প্রযোজ্য কি না তা দেখতে নিচের তারিখগুলো ব্যবহার করুন।

পরবর্তীবার

বুধবার

Google Calendar

বিপ্লব দিবস-এর তারিখ

5
তারিখবারবিকল্প দিন
মঙ্গলবারনা
বুধবারনা
বৃহস্পতিবারনা
শনিবারনা
রবিবারনা

লিবিয়ায় বিপ্লব দিবস

লিবিয়ায় ১৭ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব দিবস পালিত হয়। ২০১১ সালে মুয়াম্মর গাদ্দাফির সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী এই দিন। তারিখটি লিবিয়ার সরকারি ছুটিসংক্রান্ত আইনে অন্তর্ভুক্ত, এবং উপলক্ষটিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা সরকার দিয়েছে; কিছু জরুরি পরিষেবা পালাক্রমে চালু থাকে।[1][3]

ছুটিসংক্রান্ত আইনে নির্ধারিত তারিখ

লিবিয়ার ২০১২ সালের ৫ নম্বর আইনে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালের লিবীয় বিপ্লবের বার্ষিকীকে দেশের সরকারি ছুটির তালিকায় রাখা হয়েছে। এতে তারিখটি ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে; তারিখটি সপ্তাহান্তে পড়লে বিকল্প কর্মদিবস দেওয়ার কথা আইনের সময়সূচিতে নেই।[1]

লিবিয়ান নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রকাশিত এক সরকারি ঘোষণায় বার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল, তবে মানবিক সহায়তা ও নিরাপত্তা পরিষেবাগুলোকে পালাক্রমে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়।[3]

যে ঘটনা স্মরণ করে এই দিন

এই ছুটি একটি নির্দিষ্ট লিবীয় ঘটনার সঙ্গে যুক্ত: ২০১১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া গণঅভ্যুত্থান, যার পর ওই বছরের শেষ দিকে গাদ্দাফির শাসনের পতন ঘটে। ছুটিসংক্রান্ত আইনে ২০১১ সালের বিপ্লবের নাম উল্লেখ আছে, আর লিবিয়ান নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বার্ষিকীকে শাসনের পতন ঘটানো গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে পালনের কথা বলা হয়েছে।[1][2]

তাই এই তারিখ গণঅভ্যুত্থানের সূচনার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি সময়কেও স্মরণ করে। লিবিয়ার সরকারি ছুটিসংক্রান্ত আইনে একই বছরের পরবর্তী একটি মাইলফলক ২৩ অক্টোবরের মুক্তি দিবসও তালিকাভুক্ত; দুটি দিবস ২০১১ সালের দেশের ইতিহাসের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়কে নির্দেশ করে।[1]

লিবীয়রা যেভাবে দিনটি পালন করেছেন

উদ্‌যাপনে জনসমাগম ও পরিবেশনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অতীতের এক বার্ষিকী নিয়ে প্রতিবেদনে লিবিয়ান নিউজ এজেন্সি ত্রিপোলির শহীদ চত্বরে জনতার সমাগম, বিপ্লবী স্লোগান, মালুফসহ লোকসংগীত, গাড়ির হর্ন এবং স্বাধীনতার পতাকা হাতে পরিবারের সদস্যদের কথা জানায়। গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার, স্কাউট, ক্রীড়া ক্লাব এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।[2]

প্রতিবেদনটি ত্রিপোলির উদ্‌যাপনের বিবরণ দেয় এবং অন্যান্য শহরেও একই ধরনের আয়োজনের প্রত্যাশার কথা বলে; তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট কর্মসূচি বা গোটা লিবিয়ায় অনুসৃত রীতি প্রতিষ্ঠা করে না। নির্দিষ্ট ছুটির খাবারের পক্ষে এতে কোনো প্রমাণ নেই, তাই বাজিন ও কুসকুসের মতো পদকে বিপ্লব দিবসের প্রচলিত খাবার হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়।[2]

ছুটির দিনে কী আশা করবেন

সরকারি ঘোষণায় বার্ষিকীকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে; মানবিক সহায়তা ও নিরাপত্তা পরিষেবাগুলোকে পালাক্রমে কাজ করতে পারে এমন ব্যতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা যে পরিষেবার প্রয়োজন, সে বিষয়ে স্থানীয় ঘোষণা দেখে নিন।[3]

ব্যাংক, স্কুল, দোকান এবং গণপরিবহনের খোলার ব্যবস্থা দেখে নিন এবং সড়ক বন্ধ রাখা বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে স্থানীয়ভাবে জিজ্ঞেস করুন। এ ধরনের ব্যবস্থা জানতে তারিখভিত্তিক স্থানীয় তথ্য লাগতে পারে; সব পরিষেবা সরকারি খাতের সময়সূচি অনুসরণ করবে ধরে নেবেন না।[3]

তারিখটি কখন পড়ে

প্রতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব দিবস পালিত হয়। বর্ষপঞ্জির তারিখ স্থির থাকে, তবে সপ্তাহের দিন বছরভেদে বদলায়। আইনে তারিখটি উল্লেখ আছে, কিন্তু সপ্তাহান্তে পড়লে বিকল্প দিনের কোনো বিধান নেই।[1]

সাধারণ জিজ্ঞাসা

লিবিয়ায় বিপ্লব দিবস কবে?

প্রতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি এটি পালিত হয়; তারিখটি লিবিয়ার সরকারি ছুটিসংক্রান্ত আইনে উল্লেখ করা আছে।[1]

এ দিন কি সরকারি ছুটি থাকে?

বার্ষিকীটি সরকারি ছুটির তালিকায় রয়েছে, এবং সরকারি ঘোষণায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ছুটি দেওয়া হয়েছে। মানবিক সহায়তা ও নিরাপত্তা পরিষেবাগুলোর কিছু অংশ পালাক্রমে চালু থাকতে পারে।[1][3]

ব্যাংক, দোকান ও গণপরিবহন কি খোলা থাকে?

স্থানীয় ঘোষণায় বা সরাসরি পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যাংক, দোকান এবং গণপরিবহনের খোলার সময় ও ব্যবস্থা দেখে নিন।[3]

নির্দিষ্ট কোনো উদ্‌যাপন বা ঐতিহ্যবাহী খাবার আছে কি?

লিবিয়ান নিউজ এজেন্সির একটি প্রতিবেদনে ত্রিপোলির অতীতের এক উদ্‌যাপনে জনসমাগম, সংগীত ও পতাকা ওড়ানোর বিবরণ আছে।[2]

সূত্র ও তথ্যসূত্র

লিবিয়া-এ বিপ্লব দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:

  1. Law No. (5) of 2012 on official holidays- DCAF Legal Databases
  2. Celebrations Making Anniversary of Feb. 17 Revolution Kicks Off- Libyan News Agency
  3. حكومة :يوم غد الثلاثاء عطلة رسمية بمناسبة الذكرى الخامسة عشرة لثورة 17 فبراير .- Libyan News Agency
লিবিয়া-এর সব সরকারি ছুটি দেখুন