ইরান-এ সরকারি ছুটি

ইরান-এ ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী

ইরান-এ ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী একটি সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত। আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে এবং বিকল্প ছুটির দিন প্রযোজ্য কি না তা দেখতে নিচের তারিখগুলো ব্যবহার করুন।

পরবর্তীবার

বৃহস্পতিবার

Google Calendar

ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী-এর তারিখ

5
তারিখবারবিকল্প দিন
বুধবারনা
বৃহস্পতিবারনা
শুক্রবারনা
শনিবারনা
রবিবারনা

ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী

ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী ২২ বাহমানে পালিত হয়। জাতীয় আইনে এই দিনটিকে “বিপ্লব দিবস” নামে সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে পাহলভি রাজতন্ত্রের চূড়ান্ত পতন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করা বিপ্লবের স্মরণে দিনটি পালিত হয়।[1][3][4]

আইনে নির্ধারিত সরকারি ছুটি

ইরানের সরকারি ছুটিসংক্রান্ত আইনে ২২ বাহমানকে অন্তর্ভুক্ত করে দিনটিকে বিপ্লব দিবস বলা হয়েছে। আইনটি দিনটিকে দেশের সরকারি ছুটির তালিকায় রেখেছে; সাপ্তাহিক বিশ্রামের দিনে পড়লে অন্য কোনো দিন ছুটি দেওয়ার বিধান এতে নেই।[1]

ইরানের শ্রম আইনে সরকারি ছুটিকে শ্রমিকদের ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, এই দিনগুলো বার্ষিক ছুটির হিসাবের মধ্যে পড়ে না। পানি, বিদ্যুৎ ও বাসসেবাসহ কিছু জনসেবার কর্মীদের জন্য ভিন্ন সাপ্তাহিক বিশ্রামের দিন নির্ধারণের ব্যবস্থাও আইনটি স্বীকার করে। পর্যালোচিত বিধানগুলোতে ২২ বাহমানে ব্যাংক, দোকান বা পরিবহনের সময়সূচি নির্দিষ্ট করা নেই; তাই যাত্রীরা সংশ্লিষ্ট সেবাদাতার সঙ্গে খোঁজ নিন।[2]

দিনটি যে ঘটনার স্মৃতি বহন করে

এই দিনটি বিপ্লবের নির্ণায়ক শেষ দিনগুলোর কথা স্মরণ করায়। এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকা জানায়, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক পরিষদ প্রধানমন্ত্রী শাপুর বখতিয়ারের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে; ১২ ফেব্রুয়ারি পুরোনো শাসনের অবশিষ্ট রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামরিক সংস্থাগুলোর পতন ঘটে।[4] বার্ষিক ছুটি ২২ বাহমানে হওয়ায় দিনটি বিপ্লবের সেই চূড়ান্ত পরিণতির সঙ্গে যুক্ত।[1]

বার্ষিকীটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে নতুন প্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন এটি নয়। এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকায় খোমেনীর জীবনীতে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের ৩০ ও ৩১ মার্চ ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে গণভোট হয়, এরপর ১ এপ্রিল প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।[3]

স্মরণানুষ্ঠান ও বাস্তব পরিকল্পনা

আইনে ছুটির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কোনো অনুষ্ঠান, খাবারের রীতি বা আঞ্চলিক প্রথা নির্ধারণ করা হয়নি। সমাবেশ, পরিবেশনা ও সাময়িক সড়কব্যবস্থার বিশদ বিবরণের জন্য স্থানীয় ঘোষণাগুলো দেখুন।[1]

বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের পরিকল্পনার জন্য সবচেয়ে স্পষ্ট তথ্য হলো দিনটির আইনি মর্যাদা: এটি জাতীয় সরকারি ছুটি। আইন ও শ্রম আইন অনুযায়ী, আওতাভুক্ত কর্মীদের জন্য দিনটি কর্মবিরতির ছুটি হিসেবে গণ্য হয়; একই সঙ্গে শ্রম আইন স্বীকার করে যে কিছু জরুরি জনসেবায় সাপ্তাহিক বিশ্রামের ব্যবস্থা আলাদা হতে পারে। উদ্ধৃত বিধানগুলো কোনো নির্দিষ্ট দপ্তর, ব্যাংক, দোকান বা পরিবহনের সময়সূচি নির্ধারণ করে না।[1][2]

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী কবে?

ইরানি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী প্রতি বছর ২২ বাহমানে দিনটি পালিত হয়। সরকারি ছুটির আইনে এই দিনকে বিপ্লব দিবস বলা হয়েছে।[1]

ইরানে কি এটি সরকারি ছুটি?

হ্যাঁ। ইরানের সরকারি ছুটিসংক্রান্ত আইনে ২২ বাহমানকে বিপ্লব দিবস হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। শ্রম আইনেও সরকারি ছুটিকে শ্রমিকদের ছুটি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।[1][2]

ব্যাংক, দোকান ও গণপরিবহন কি খোলা থাকে?

এখানে উদ্ধৃত আইনি বিধানগুলোতে ব্যাংক, বেসরকারি দোকান বা পরিবহনের জন্য অভিন্ন সময়সূচি দেওয়া নেই। যে সেবাটি ব্যবহার করবেন, তার নির্দিষ্ট সময় জেনে নিন; শ্রম আইনে বলা হয়েছে, কিছু জনসেবায় সাপ্তাহিক বিশ্রামের ব্যবস্থা আলাদা।[2]

ছুটিটি কী স্মরণ করে?

দিনটি ১৯৭৯ সালের বিপ্লব এবং পাহলভি শাসনের অবসানের স্মৃতি বহন করে। ১৯৭৯ সালের মার্চে গণভোটের পর ১ এপ্রিল ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।[3][4]

সূত্র ও তথ্যসূত্র

ইরান-এ ইসলামিক বিপ্লবের বার্ষিকী-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:

  1. لایحه قانونی تعیین تعطیلات رسمی کشور- Nezamat (Iranian laws and regulations archive)
  2. LABOUR LAW- International Labour Organization, NATLEX
  3. KHOMEINI i. Life- Encyclopaedia Iranica
  4. Chronology of Iranian History Part 4- Encyclopaedia Iranica
ইরান-এর সব সরকারি ছুটি দেখুন