গিনি-বিসাউয়ে পুনর্গঠন আন্দোলন দিবস
১৯৮০ সালের ১৪ নভেম্বর জোয়াও বের্নার্দো ভিয়েইরার নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠন আন্দোলন প্রেসিডেন্ট লুইস কাবরালকে ক্ষমতাচ্যুত করে।[2][3] বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি বিষয়ে গিনি-বিসাউয়ের ২০২৩ সালের ডিক্রিতে ১৪ নভেম্বরের উল্লেখ নেই, তাই ওই ডিক্রিতে এই দিনটিকে শ্রমিকদের বাধ্যতামূলক ছুটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়নি।[1]
আইনে কী বলা হয়েছে
ডিক্রি নং ১/২০২৩-এ উল্লিখিত তারিখগুলোকে বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি বলা হয়েছে; কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী যেসব কার্যক্রম বন্ধ করা যায় না, তা ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতেই কাজ বন্ধ থাকবে। তালিকায় নববর্ষ, জাতীয় বীর ও স্বদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের দিবস, মে দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বড়দিন, ইস্টার, রমজানের সমাপ্তি (ঈদুল ফিতর) এবং কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা) রয়েছে। ১৪ নভেম্বর এই তালিকায় নেই।[1]
একই ডিক্রিতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি এন্টারপ্রাইজের সরকারি কর্মচারীদের বেশ কয়েকটি অতিরিক্ত তারিখে ছুটি দেওয়া হয়েছে। ১৪ নভেম্বরও সেই তারিখগুলোর মধ্যে নেই।[1]
নামের পেছনের ঘটনা
এই নামটি জোয়াও বের্নার্দো ভিয়েইরার নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠন আন্দোলনকে বোঝায়। গিনি-বিসাউয়ের রাজনৈতিক ইতিহাসবিষয়ক জাতিসংঘের একটি নথিতে আন্দোলনটির তারিখ ১৪ নভেম্বর ১৯৮০ বলা হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে যে এর ফলে প্রেসিডেন্ট লুইস কাবরাল ক্ষমতাচ্যুত হন। জাতিসংঘের দেশ-পরিচিতিতেও কাবরালকে গিনি-বিসাউয়ের প্রথম প্রেসিডেন্ট বলা হয়েছে এবং ১৯৮০ সালের নভেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ভিয়েইরার হাতে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির কথা নথিভুক্ত করা হয়েছে।[2][3]
অভ্যুত্থানের ঘটনায় স্বাধীনতার পর দেশটির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসে। গিনি-বিসাউ ১৯৭৩ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে যোগ দেয়।[2][3]
পালনরীতি ও ভ্রমণ পরিকল্পনা
ডিক্রি নং ১/২০২৩-এ ১৪ নভেম্বরকে বাধ্যতামূলক ছুটির দিন করা হয়নি। পরিকল্পনা করার আগে যে দপ্তর বা পরিষেবা ব্যবহারের কথা ভাবছেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।[1]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পুনর্গঠন আন্দোলন দিবস কবে?
জাতিসংঘ পুনর্গঠন আন্দোলনের তারিখ ১৯৮০ সালের ১৪ নভেম্বর বলে উল্লেখ করেছে।[2]
১৪ নভেম্বর কি বাধ্যতামূলক ছুটির দিন?
ডিক্রি নং ১/২০২৩-এ বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি বা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত অতিরিক্ত ছুটির তারিখগুলোর মধ্যে ১৪ নভেম্বর নেই।[1]
এই দিবসে কী স্মরণ করা হয়?
ব্যাংক, দোকান বা গণপরিবহন কি খোলা থাকবে?
ভ্রমণ বা পরিষেবার ব্যবস্থা করার আগে নির্দিষ্ট দপ্তর ও পরিবহন পরিচালনাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনে নিন।
সূত্র ও তথ্যসূত্র
গিনি-বিসাউ-এ পুনর্গঠন আন্দোলন দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- Decreto n.º 1/2023 — Feriados Nacionais Obrigatórios- República da Guiné-Bissau, Boletim Oficial
- English Constitution- United Nations Integrated Peacebuilding Office in Guinea-Bissau
- Background | UNIOGBIS- United Nations Integrated Peacebuilding Office in Guinea-Bissau