মিশরে ৩০ জুন দিবস: ইতিহাস এবং জনবহুল উদযাপন
৩০ জুন দিবসটি মিশরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করা বিশাল গণবিক্ষোভের স্মৃতি বহন করে। দেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুরসির পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে লাখ লাখ নাগরিক একত্রিত হয়েছিল। বর্তমানে, দিনটি অফিসিয়াল ভাষণ এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।
ইতিহাস
২০১৩ সালের এপ্রিলে, তমারোদ তৃণমূল আন্দোলন প্রাথমিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং মোহাম্মদ মুরসির পদত্যাগের দাবিতে একটি আবেদন প্রচারণা শুরু করে। ২০১৩ সালের ৩০ জুন মিশরের প্রধান শহরগুলিতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়, যা তিন দিন পর সামরিক হস্তক্ষেপে রূপ নেয়। ৪ জুলাই আদলি মনসুর অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা আধুনিক মিশরীয় শাসনে একটি বড় মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা ছিল।
ঐতিহ্য ও খাবার
একটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে, ৩০ জুন দিবসে জাতীয় সম্প্রচার, সরকারি নেতাদের টেলিভেশনের মাধ্যমে ভাষণ এবং মিশরীয় পতাকার জনসমক্ষে প্রদর্শন অন্তর্ভুক্ত থাকে। মিশরীয়রা সাধারণত ছুটির দিনটিতে পরিবারের সাথে একত্রিত হয়, স্থানীয় রেস্তোঁরায় কোশারি বা ফুল মেদামেসের মতো ঐতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ করে এবং পাবলিক পার্কে ঘুরতে যায়।
বন্ধ ও যাতায়াত
৩০ জুন মিশরের সরকারি মন্ত্রালয়, সরকারি স্কুল, ব্যাংক এবং ডাক বিভাগ বন্ধ থাকে। কায়রো এবং আলেকজান্দ্রিয়ার প্রধান সরকারি চত্বর ও প্রতিষ্ঠানগুলির আশেপাশে নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পরিবর্তিত ছুটির সময়সূচীতে চলাচল করে।
৩০ জুন দিবস সম্পর্কিত প্রশ্নাবলী
৩০ জুন দিবস কি মিশরে একটি বেতনের সরকারি ছুটির দিন?
হ্যাঁ, এটি সরকারি এবং বেসরকারি খাতের উভয় কর্মচারীদের জন্য একটি সরকারি ছুটির দিন।
৩০ জুন কি ব্যাংক খোলা থাকে?
না, এই সরকারি ছুটির দিনে দেশব্যাপী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকে।
প্রাতিষ্ঠানিক উৎস এবং আইনি তথ্যসূত্র
মিশর-এ মিশরে ৩০ জুন দিবস: ইতিহাস এবং জনবহুল উদযাপন-এর জন্য যাচাইকৃত প্রাথমিক উৎস এবং সরকারি ডিক্রি:
- Public holidays in Egypt— What Next Holiday
- 30 June Day— Wikipedia contributors