সান মারিনোতে ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি দিবস
সান মারিনোতে ২৮ জুলাই ফ্যাসিবাদের পতনের বার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়; আইন অনুযায়ী এটি অসামরিক ও জাতীয় ছুটি। দিনটি ১৯৪৩ সালে সান মারিনোর ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন স্মরণ করে এবং ঐতিহাসিক কেন্দ্রে সরকারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়।[1][2][3]
আইন অনুযায়ী সান মারিনোর ছুটি
সান মারিনোর ১৯৯০ সালের ছুটি-সংক্রান্ত আইনে ২৮ জুলাইকে ফ্যাসিবাদের পতনের বার্ষিকী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে প্রণীত সংশোধনীতে তারিখটির বর্তমান আইনি নাম দেওয়া হয়: “ফ্যাসিবাদের পতনের বার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবস”। এটি দেশের অসামরিক ও জাতীয় ছুটির একটি।[1][2]
১৯৯০ সালের আইনে বলা হয়েছে, জাতীয় ছুটিতে সরকারি দপ্তর ও কাস্তেল্লির ভবনে পতাকা ওড়াতে হবে এবং শ্রমবিধিকে ছুটির ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। উদ্ধৃত আইনের পাঠে বিকল্প ছুটির দিনের নিয়ম নেই।[1]
তারিখটি যে ঘটনা স্মরণ করে
সান মারিনোর শিক্ষা বিভাগের প্রকাশিত ইতিহাস-বিষয়ক উপস্থাপনা অনুযায়ী, ইতালিতে ফ্যাসিবাদের পতনের তিন দিন পর ১৯৪৩ সালের ২৮ জুলাই সান মারিনোর ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটে। উপস্থাপনায় স্থানীয় দলটিকে অভিজাততান্ত্রিক ও গণতন্ত্রবিরোধী বলা হয়েছে, এবং অন্য দল ও ভিন্নমতের ওপর বিধিনিষেধের কথাও উল্লেখ রয়েছে।[3]
শাসনের পতনের পরও দেশে ফ্যাসিবাদী তৎপরতা শেষ হয়নি: একই ঐতিহাসিক বিবরণে বলা হয়েছে, কয়েক মাস পরে আন্দোলনটি পুনর্গঠিত হয় এবং ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বরে চূড়ান্তভাবে বিলুপ্ত হয়। তাই ছুটিটি ১৯৪৩ সালে শাসনের পতন ও দেশের স্বাধীনতা স্মরণ করে; সান মারিনোতে ফ্যাসিবাদের সব উপস্থিতির অবসান নয়।[3][4]
যেভাবে পালিত হয়
সান মারিনো নগরে ২০২৪ সালের সরকারি অনুষ্ঠানে পালাজ্জো পাবলিকোতে বক্তব্য, ইতিহাসের ভূমিকা, ১৯৪৩ সালের ঘটনায় যুক্ত ব্যক্তিদের বিবরণ থেকে পাঠ, সান মারিনোর মিউজিক্যাল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত সংগীত, জাতীয় সংগীত এবং পিয়াজ্জা দেলা লিবের্তায় ক্যাপ্টেন রেসেন্টদের পুষ্পস্তবক অর্পণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।[4]
এটি নথিভুক্ত একটি উদাহরণ; প্রতি বছরের সময়সূচি একই থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নয়। সরকারি ছুটির তালিকায় ২৮ জুলাইকে জাতীয় স্মরণ-উৎসবের নামে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে প্রচলিত কোনো খাবার বা সান মারিনোর বিভিন্ন কাস্তেল্লিতে আলাদা রীতির বর্ণনা নেই।[2][4]
ব্যবহারিক তথ্য
সান মারিনোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থা বন্ধ থাকার দিনগুলোর মধ্যে তারিখটি তালিকাভুক্ত করেছে। ব্যাংক স্থানান্তর ও পেমেন্ট নিষ্পত্তির পরিকল্পনায় এই তথ্য কাজে লাগে, তবে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখা, দোকান, দর্শনীয় স্থান বা পরিবহন সেবার খোলার সময় এতে নির্ধারিত হয় না।[5]
ছুটি-সংক্রান্ত আইনে দিনটিকে জাতীয় ছুটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সরকারি দপ্তর ও কাস্তেল্লির ভবনে পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ রয়েছে; নির্দিষ্ট সেবার খোলার সময় বলা হয়নি। যে দপ্তর, ব্যবসা বা পরিবহন সেবা ব্যবহার করবেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।[1]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি দিবস কবে পালিত হয়?
প্রতি বছর ২৮ জুলাই পালিত হয়। আইনে দিনটির নাম ফ্যাসিবাদের পতনের বার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবস।[2]
সান মারিনোতে এটি কি সরকারি ছুটি?
ব্যাংক ও দোকান কি খোলা থাকে?
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় ২৮ জুলাই জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থা বন্ধের দিন। তাদের ক্যালেন্ডারে শাখার সময় দেওয়া নেই, আর উদ্ধৃত সরকারি সূত্রগুলোতেও দোকান বা অন্য ব্যবসা খোলা থাকবে কি না নিশ্চিত করা হয়নি; তাই স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিন।[5]
সরকারি অনুষ্ঠান হয় কি?
Visit San Marino-তে নথিভুক্ত এক সরকারি অনুষ্ঠানে ইতিহাসভিত্তিক পাঠ, সংগীত, জাতীয় সংগীত এবং ক্যাপ্টেন রেসেন্টদের পুষ্পস্তবক অর্পণ ছিল। বছরভেদে কর্মসূচি বদলাতে পারে।[4]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
সান মারিনো-এ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- LEGGE 18 dicembre 1990 n.152 (pubblicata il 20 dicembre 1990) — Calendario delle Festività- Consiglio Grande e Generale della Repubblica di San Marino
- LEGGE 30 OTTOBRE 2013 N.152 — Modifica dell’art. 2 della Legge 18 dicembre 1990 n. 152 – Calendario delle Festività- Consiglio Grande e Generale della Repubblica di San Marino
- Diapositiva 1- Dipartimento Istruzione e Cultura, Repubblica di San Marino
- Anniversary of the Fall of Fascism and Freedom Day- Visit San Marino, Republic of San Marino Tourism Office
- Calendario festività- Banca Centrale della Repubblica di San Marino