লাতভিয়ায় প্রজাতন্ত্র দিবস
১৮ নভেম্বর লাতভিয়া লাতভিয়া প্রজাতন্ত্র ঘোষণার দিন পালন করে; ১৯১৮ সালে এ দিন স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল। আইনে এটি সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত, আর ১৮ নভেম্বর শনিবার বা রবিবারে পড়লে ছুটি পরবর্তী কর্মদিবসে সরানো হয়।[1][2]
লাতভিয়ার রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে যুক্ত ছুটি
১৯১৮ সালের ১৮ নভেম্বর রিগার লাতভীয় জাতীয় থিয়েটারে এক আনুষ্ঠানিক সভায় লাতভিয়া প্রজাতন্ত্র ঘোষণার স্মরণে এই ছুটি পালিত হয়। লাতভীয় জাতীয় পরিষদ কার্লিস উলমানিসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকারও অনুমোদন করেছিল।[3]
দেশটির স্বাধীনতা দখলদারির কারণে ব্যাহত হয়েছিল বলে এই বার্ষিকীর লাতভিয়ায় বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। লাতভিয়ার রাষ্ট্রপতির ঐতিহাসিক সময়রেখায় নথিবদ্ধ আছে যে ১৭ জুন ১৯৪০-এ লাল ফৌজ সীমান্ত অতিক্রম করে এবং ২১ আগস্ট ১৯৯১-এ লাতভিয়া কার্যত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৮ নভেম্বরকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার দিন হিসেবে বর্ণনা করে এবং জানায়, ৫১ বছরেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল।[3][2]
আইনি মর্যাদা ও সপ্তাহান্তের নিয়ম
লাতভিয়ার আইনে ১৮ নভেম্বরকে লাতভিয়া প্রজাতন্ত্র ঘোষণার দিন বলা হয়েছে এবং সরকারি ছুটি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। দিনটি শনিবার বা রবিবারে পড়লে পরবর্তী কর্মদিবস ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হয়। প্রচলিত সোমবার-থেকে-শুক্রবার কর্মসপ্তাহে তা পরের সোমবার; আইনের ভাষায় “পরবর্তী কর্মদিবস”।[1]
শ্রম আইন অনুযায়ী, সরকারি ছুটির দিনে কর্মীদের কাজে আসতে হয় না। কাজের ধারাবাহিকতার জন্য ছুটির দিনে কাজ জরুরি হলে নিয়োগকর্তারা অন্য দিন বিশ্রাম দিয়ে বা উপযুক্ত পারিশ্রমিক দিয়ে তা করাতে পারেন।[4]
দিনটি কীভাবে পালিত হয়
জাতীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষ এ উপলক্ষে লাতভিয়াজুড়ে উৎসবের অনুষ্ঠান, কনসার্ট ও ভাষণের কথা জানায়। এগুলো দেশজুড়ে পালিত হয়, তবে স্থান ও বছরভেদে নির্দিষ্ট আয়োজন বদলাতে পারে।[5]
ছুটির আইনে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যবহারে তারিখটির আনুষ্ঠানিক নাম লাতভিয়া প্রজাতন্ত্র ঘোষণার দিন। একে লাতভিয়ার জাতীয় দিবস হিসেবেও তুলে ধরা হয়। দিনটি ১৯১৮ সালের ঘোষণাকে স্মরণ করে; ১৯৯০ সালের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের ঘোষণাকে স্মরণকারী পৃথক ৪ মে-র ছুটিকে নয়।[1][2][3]
দর্শনার্থী ও বাসিন্দাদের জন্য ব্যবহারিক তথ্য
তারিখটি আইননির্ধারিত সরকারি ছুটি হওয়ায়, শ্রম আইনের ধারাবাহিকভাবে চলতে হয় এমন কাজের বিধান সাপেক্ষে, অনেক কর্মী ছুটি পান। ব্যাংক, দোকান, জাদুঘর বা গণপরিবহনের খোলার সময় ছুটির আইনে নির্ধারিত নয়; তাই পরিকল্পনার আগে প্রতিটি পরিষেবার ছুটির সময়সূচি দেখে নিন।[1][4]
দিনটি সপ্তাহান্তে পড়লে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কর্মদিবসও ছুটি হয়। মন্ত্রণালয়ের দূতাবাসসংক্রান্ত তথ্যেও বলা হয়েছে, ১৮ নভেম্বর শনিবার বা রবিবারে পড়লে পরবর্তী কর্মদিবসে তাদের দূতাবাস বন্ধ থাকে; এটি দূতাবাসের সময়সূচির কথা, আর পৃথক ব্যবসা ও পরিষেবা নিজেদের সময়সূচি ঠিক করতে পারে।[1][6]
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
লাতভিয়ায় প্রজাতন্ত্র দিবস কখন?
প্রজাতন্ত্র দিবস কি সরকারি ছুটি এবং কর্মীদের ছুটির দিন?
১৮ নভেম্বর সপ্তাহান্তে পড়লে কী হয়?
পরবর্তী কর্মদিবসকে ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। প্রচলিত সোমবার-থেকে-শুক্রবার কর্মসপ্তাহে এর অর্থ পরের সোমবার।[1]
সূত্র ও তথ্যসূত্র
লাতভিয়া-এ প্রজাতন্ত্র দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:
- On Public Holidays, Commemoration Days, and Celebration Days- Likumi.lv, official publisher Latvijas Vēstnesis
- 11. National Hollidays and Remembrance Days- Ministry of Foreign Affairs of the Republic of Latvia
- History- Chancery of the President of Latvia
- Labour Law- Likumi.lv, official publisher Latvijas Vēstnesis
- Proclamation Day of the Republic of Latvia- Latvian Investment and Development Agency, latvia.travel
- Latvian national holidays- Ministry of Foreign Affairs of the Republic of Latvia