গ্রিনল্যান্ড-এ সরকারি ছুটি

গ্রিনল্যান্ড-এ প্রার্থনা দিবস

গ্রিনল্যান্ড-এ প্রার্থনা দিবস একটি সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত। আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে এবং বিকল্প ছুটির দিন প্রযোজ্য কি না তা দেখতে নিচের তারিখগুলো ব্যবহার করুন।

পরবর্তীবার

শুক্রবার

Google Calendar

প্রার্থনা দিবস-এর তারিখ

5
তারিখবারবিকল্প দিন
শুক্রবারনা
শুক্রবারনা
শুক্রবারনা
শুক্রবারনা
শুক্রবারনা

গ্রিনল্যান্ডে প্রার্থনা দিবস

গ্রিনল্যান্ডে প্রার্থনা দিবস সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত, আর অধিকাংশ কর্মস্থলের কর্মীরা সাধারণত ছুটি পান। দিনটি ইস্টারের সঙ্গে যুক্ত, তাই প্রতিবছর তারিখ বদলায়; গ্রিনল্যান্ডে ছুটির দিনে দোকান বন্ধ রাখার কোনো সাধারণ আইন নেই বলে দোকান নিজেদের খোলার সময় ঠিক করে।[1]

গ্রিনল্যান্ডের সরকারি ছুটি

গ্রিনল্যান্ডের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে প্রার্থনা দিবস এমন দিনের তালিকায় রয়েছে, যেদিন অধিকাংশ কর্মস্থলের কর্মীরা সাধারণত কাজ করেন না। গ্রিনল্যান্ডের একটি যৌথ চুক্তিতেও Store bededag বা প্রার্থনা দিবসকে সপ্তাহের কর্মদিবসে পড়া সরকারি ছুটির মধ্যে রাখা হয়েছে, যা কর্মসংস্থান ব্যবস্থায় দিনটির স্বীকৃতি দেখায়।[1][2]

এর মানে এই নয় যে সব পরিষেবা বা ব্যবসা বন্ধ থাকে। দোকানের জন্য গ্রিনল্যান্ডে বন্ধের দিনসংক্রান্ত কোনো আইন নেই; কখন খোলা হবে, তা দোকান ঠিক করতে পারে। নর্ডিক তথ্যসেবা জানায়, বড় শহরের বড় সুপারমার্কেটগুলো সাধারণত সরকারি ছুটিতেও খোলা থাকা দোকানগুলোর মধ্যে পড়ে। দপ্তর, ব্যাংক বা পরিবহনের জন্য প্রার্থনা দিবস-নির্দিষ্ট খোলার নিয়ম সেখানে দেওয়া নেই, তাই দর্শনার্থীদের যে স্থান বা পরিষেবা ব্যবহার করার পরিকল্পনা আছে, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা উচিত।[1]

তারিখ ও পটভূমি

প্রার্থনা দিবস ইস্টারের পর চতুর্থ রবিবারের আগের শুক্রবারে পড়ে। ভিজিট গ্রিনল্যান্ডের পর্যটনবিষয়ক প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নে একে ইস্টারের পর চতুর্থ শুক্রবার বলা হয়েছে, আর নর্ডিক সরকারি ছুটির নির্দেশিকায় গির্জার বর্ষপঞ্জিতে একই অবস্থান দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিবছর তারিখ বদলায় এবং দিনটি বসন্তে পড়ে।[1][3]

এই পালনের পেছনে ড্যানিশ গির্জার ইতিহাস রয়েছে: চার্চ অব ডেনমার্কের নথি অনুযায়ী, বিশপ হান্স বাগার ১৬৮৬ সালে বার্ষিক দিনটি চালু করেন; এর উদ্দেশ্য ছিল প্রার্থনা ও গির্জায় উপস্থিতি। এই পটভূমি ছুটিটির বৃহত্তর উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে। দিনের রীতিনীতির তথ্যের জন্য স্থানীয় নির্দেশিকা দেখুন।[4]

দিনটির পরিকল্পনা

বাসিন্দাদের জন্য ব্যবহারিকভাবে ধরে নেওয়া যায়, অধিকাংশ কর্মস্থলে ছুটি থাকবে; তবে ব্যক্তিগত কর্মসংস্থানের শর্ত আলাদা হতে পারে। ভ্রমণকারীদের ধরে নেওয়া উচিত নয় যে সব দোকান বন্ধ থাকবে বা সব পরিষেবা ছুটির সময়সূচি মেনে চলবে: খোলার সিদ্ধান্ত একরকম নয়। ছুটির পরিষেবার জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় পরিবহন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।[1]

গরম গমের বান নিয়ে পরিচিত কাহিনিটি পালনের বৃহত্তর ড্যানিশ বিবরণের অংশ। চার্চ অব ডেনমার্ক ব্যাখ্যা করে, ছুটির দিনে কাজ ও তাজা রুটি বানানো বন্ধ থাকত বলে বেকাররা আগের সন্ধ্যায় রুটি তৈরি করতেন। ওই সূত্রে ডেনমার্কের রীতির বর্ণনা আছে, গ্রিনল্যান্ডে এর প্রচলনের নয়; তাই একে গ্রিনল্যান্ডজুড়ে প্রচলিত রীতি হিসেবে ধরা উচিত নয়।[4]

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

গ্রিনল্যান্ডে কি প্রার্থনা দিবসে ছুটি থাকে?

অধিকাংশ কর্মস্থলের কর্মীরা সাধারণত সরকারি ছুটিতে ছুটি পান, আর গ্রিনল্যান্ডের একটি যৌথ চুক্তিতে প্রার্থনা দিবসকে সপ্তাহের কর্মদিবসে পড়া সরকারি ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ব্যক্তিগত কাজের ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে।[1][2]

প্রার্থনা দিবস কবে পড়ে?

এটি ইস্টারের পর চতুর্থ রবিবারের আগের শুক্রবারে পড়ে, তাই প্রতিবছর ক্যালেন্ডারের তারিখ বদলায়।[1]

প্রার্থনা দিবসে কি দোকান বন্ধ থাকে?

তা সব ক্ষেত্রে নয়। ছুটির দিনে দোকান বন্ধ রাখার কোনো সাধারণ আইন গ্রিনল্যান্ডে নেই, আর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব সময়সূচি ঠিক করে; যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিন।[1]

গণপরিবহন কি সীমিত সময়সূচিতে চলে?

দোকান ও পরিবহন অপারেটররা নিজেদের সময় নির্ধারণ করে, তাই ভ্রমণের আগে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

সূত্র ও তথ্যসূত্র

গ্রিনল্যান্ড-এ প্রার্থনা দিবস-এর জন্য ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:

  1. Public holidays in Greenland- Nordic Co-operation (Info Norden)
  2. Microsoft Word - OK 2023 2025_ENG_RG_291222.docx- SIK
  3. Frequently Asked Question (FAQ) about Greenland - [Visit Greenland!]- Visit Greenland
  4. Derfor spiser vi varme hveder- Folkekirken.dk, Church of Denmark
গ্রিনল্যান্ড-এর সব সরকারি ছুটি দেখুন