বাংলাদেশের মুজিব জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস
প্রতি বছর ১৭ মার্চ তারিখে পালিত এই জাতীয় ছুটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। তরুণদের শিক্ষা ও ভবিষ্যতের নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য এটি জাতীয় শিশু দিবসের সাথে একই দিনে পালিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নাগরিকরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শিশুদের র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
ইতিহাস
বঙ্গবন্ধু বা বাংলার বন্ধু নামে পরিচিত শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সরকার তাঁর জন্মবার্ষিকীটিকে জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণা করে এবং পরবর্তীকালে তরুণ প্রজন্মকে তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে এটিকে শিশু দিবসের সাথে যুক্ত করা হয়।
ঐতিহ্য ও খাবার
স্কুল ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো শিশুদের জন্য রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং সংগীত পরিবেশনার আয়োজন করে। পরিবারগুলো বাড়িতে এই উৎসবমুখর দিনটি উদযাপনের জন্য পিঠা এবং পায়েশের মতো ঐতিহ্যবাহী বাঙালি মিষ্টি তৈরি করে। জাতীয় নেতারা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ছুটি ও ভ্রমণ
এই দিনে সরকারি অফিস, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অনেক বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। জনপরিবহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করে, তবে ঢাকা এবং টুঙ্গিপাড়ার প্রধান অনুষ্ঠানস্থল ও স্মারক স্থানগুলোর আশেপাশে যানজট হতে পারে। ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের আশেপাশে পর্যটকদের সীমিত যাতায়াতের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।
মুজিব জন্মবার্ষিকী এবং শিশু দিবস সম্পর্কে প্রশ্ন
কবে মুজিব জন্মবার্ষিকী এবং শিশু দিবস উদযাপিত হয়?
এটি প্রতি বছর ১৭ মার্চ সারা বাংলাদেশে উদযাপিত হয়।
এই ছুটির দিনে কি সরকারি অফিস বন্ধ থাকে?
হ্যাঁ, অফিসিয়াল সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং স্কুল দেশব্যাপী বন্ধ থাকে।
প্রাতিষ্ঠানিক উৎস এবং আইনি তথ্যসূত্র
বাংলাদেশ-এ মুজিবের জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবস-এর জন্য যাচাইকৃত প্রাথমিক উৎস এবং সরকারি ডিক্রি:
- Public holidays in Bangladesh— What Next Holiday
- Mujib's Birthday & Children's Day— Wikipedia contributors